সৌদির জিজানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নাজরানে সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত

সৌদি আরবের জিজান প্রদেশে হুথিদের ছোড়া একটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন আল-তুয়াল জেলায় চালানো এই হামলায় একটি মসজিদ ও বেশ কিছু ঘরবাড়ির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ বেসামরিক স্থাপনার ওপর এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।

এর পাশাপাশি হুথিরা দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার আবহা, খামিস মুসাইত, জিজান এবং নাজরান এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হুথিদের বড় ধরনের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছিলেন।

ইয়েমেনে সংঘাতের মাত্রা বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গত সপ্তাহে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে হুথিরা সামরিক অভিযান শুরু করে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তারা কয়েক শ কিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এর ফলে লোহিত সাগরের ওপর থেকে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

হুথিদের এই নতুন সামরিক অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত পাঁচ শতাধিক মানুষ, আর আহতের সংখ্যা শত শত। এছাড়া সংঘাতের কারণে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ওই অঞ্চল প্রায় চার বছর শান্ত ছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ায় আবারও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফিরে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সৌদির জিজানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নাজরানে সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত

আপলোডের সময় : 09:42:54 am, Sunday, 13 September 2026

সৌদি আরবের জিজান প্রদেশে হুথিদের ছোড়া একটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন আল-তুয়াল জেলায় চালানো এই হামলায় একটি মসজিদ ও বেশ কিছু ঘরবাড়ির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ বেসামরিক স্থাপনার ওপর এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।

এর পাশাপাশি হুথিরা দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার আবহা, খামিস মুসাইত, জিজান এবং নাজরান এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হুথিদের বড় ধরনের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছিলেন।

ইয়েমেনে সংঘাতের মাত্রা বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গত সপ্তাহে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে হুথিরা সামরিক অভিযান শুরু করে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তারা কয়েক শ কিলোমিটার এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এর ফলে লোহিত সাগরের ওপর থেকে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

হুথিদের এই নতুন সামরিক অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত পাঁচ শতাধিক মানুষ, আর আহতের সংখ্যা শত শত। এছাড়া সংঘাতের কারণে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ওই অঞ্চল প্রায় চার বছর শান্ত ছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ায় আবারও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফিরে এসেছে।