
গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নের পূর্ব বাটকামারী এলাকায় একটি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ছোলায়মান। এ অভিযোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামারজানী ইউনিয়নের পূর্ব বাটকামারী এলাকার ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছোলায়মানের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
পরে স্থানীয় কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। একপর্যায়ে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে হবে। অভিযুক্তকে গণপিটুনি না দিয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা বা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি 



















