
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গানভরের সঙ্গে স্বাক্ষরিত দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এলএনজি ভর্তি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ‘এলএনজি জেনেভা’ নামক জাহাজটি সামিটের টার্মিনালে নোঙর ফেলে এবং গ্যাস খালাসের কাজ শুরু হয়। এই কার্গো থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশের সাথে গানভরের ১৩ বছর মেয়াদী এই চুক্তির আওতায় মোট ১১৭টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মোট নয়টি কার্গো আসার সূচি রয়েছে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে পাঁচটি কার্গো দেশে পৌঁছেছে। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর একটি কার্গো এসেছিল এবং ১৭ সেপ্টেম্বর গানভরের কার্গোটি যুক্ত হলো।
বাকি সূচি অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর আরামকো, ২৩ সেপ্টেম্বর টোটালএনার্জি, ২৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় আরামকো এবং ২৮ সেপ্টেম্বর গানভরের পক্ষ থেকে আরও চারটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। নিয়মিত ব্যবধানে এসব কার্গো আসায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে মোট ২ হাজার ৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে ১ হাজার ৬১২ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে ৯৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় গ্যাস ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, ‘এলএনজি জেনেভা’ নামের জাহাজে আসা এই কার্গো থেকে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাস করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চুক্তির আওতায় মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প উৎস নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 

























