
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে সার মনিটরিং কমিটি গঠন, মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন এবং ঘুষের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন, গোপনে কমিটি গঠন ও ঘুষের বিনিময়ে ডিলারশিপ দেওয়ার
অভিযোগ রয়েছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্য এককভাবে এবং অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে বিএনপির তিনজন দলীয় সদস্যকে নিয়ে সার মনিটরিং কমিটি গঠন করেন। এ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ ছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য নির্ধারিত গোডাউন সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, কোনো কোনো গোডাউনের আয়তন ৫ শত থেকে দেড় হাজার বর্গফুটের মধ্যে। তবে মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পরিবর্তন করে গোডাউনের আয়তন ৬ থেকে ১২ হাজার বর্গফুট পর্যন্ত দেখিয়ে প্রতিবেদন ইউএনও অফিসে জমা দিয়েছেন এই কৃষি অফিসার।
ইউনিয়ন পর্যায়ে তদন্তকালে বিএনপি দলীয় ইউনিয়ন সভাপতি এবং সেক্রেটারিদের ফোন করে তদন্ত কমিটির সাথে থাকতে বলেন এই কৃষি কর্মকর্তা।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, অনিয়মের মাধ্যমে এবং আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে সংশ্লিষ্টদের সার ডিলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, অভিযোগকারীদের আরও দাবি, আওয়ামী পন্থী কিছু কথিত গণমাধ্যম কর্মীদের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্যের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্যের কাছে জানতে চাইলে, বলেন এটি সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দলীয়করণ করার কথা বলেছেন। প্রজ্ঞাপন দেখতে চাইলে, দেখাতে ব্যর্থ হন।
বিগত সময়ের তার কর্মজীবনের বিভিন্ন জায়গার তথ্য মতে জানা যায় তিনি এই সমস্ত অনিয়ম ও অপকর্মের কারণে তাকে বদলি ও জনগণের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে সাবেক এই নি’ষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ও স্বৈ’রা’চারের দো’সরের বিরুদ্ধে। যিনি এখন বিএনপি’র দলীয় লোকজনদের সাথে মিশে এবং অবৈধ সুবিধা দিয়ে তার বিগত সময়ের অপকর্ম ঢাকতে ব্যস্ত।
সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, মাঠপর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোঃ সুজা মিয়া, ক্রাইম রিপোর্টার গাইবান্ধা 



















