নিত্যপণ্যের দামের অস্থিরতায় নাভিশ্বাস, বাজারে নজরদারি বাড়ার তাগিদ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আগেই গত দেড় মাস ধরে আটা-ময়দার চড়া মূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছিল সাধারণ ক্রেতাদের। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই নিত্যপণ্য দুটির দাম কেজিতে আরও ১০ টাকা করে বেড়েছে। রাজধানীর নাখালপাড়া, মহাখালী, কলমিলতা কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত আটা ৭০ টাকা এবং ময়দা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল যথাক্রমে ৬০ ও ৭০ টাকা। একইভাবে খোলা আটা ও ময়দার দাম পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে; বর্তমানে খোলা আটা কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মহাখালীর কে বি স্টোরের স্বত্বাধিকারী বিকাশ বণিক জানান, কোম্পানিগুলো সরবরাহ করা দুই কেজির প্যাকেটে নতুন খুচরা মূল্য যথাক্রমে ১৪০ ও ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে, যে কারণে তারা গায়ের দামেই পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, গত এক মাসে প্যাকেটজাত আটার দাম ৪ শতাংশ এবং ময়দার দাম ১৭ শতাংশ বেড়েছে। আটা-ময়দার এমন ঊর্ধ্বগতির বাজারে এখন চালের দাম বাড়ারও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ট্রাক ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় চালের পাইকারি বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের ইসমাইল অ্যান্ড সন্সের বিক্রয়কর্মী মহিউদ্দিন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৫ টন চাল পরিবহনে ট্রাক ভাড়া ১৭ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২১ হাজার টাকায় ঠেকেছে, যা প্রতি কেজি চালে প্রায় ২৭ পয়সা বাড়তি পরিবহন ব্যয় যোগ করছে। একই বাজারের মুক্তা রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান বলেন, পরিবহন ব্যয় বাড়ায় চালের দাম অন্তত ৫০ পয়সা থেকে এক টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। যদিও বর্তমানে আগের কেনা মজুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুচরা বাজারে দাম পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এছাড়া মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট থেকে ছোট পিকআপে চাল আনা-নেওয়ায় গাড়িভাড়া ২০০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও শীঘ্রই এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুধু চাল বা আটা নয়, ডিজেলের দাম বাড়ার দোহাই দিয়ে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়ানো হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ী মনির হোসেন জানান, বরিশাল থেকে মুড়ি আনতে ট্রাক ভাড়া তিন হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে, যার ফলে প্রতি কেজি মুড়িতে এক টাকা ব্যয় বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি মুড়ি ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারেও একই অস্থিরতা বিরাজ করছে; পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে পাইকাররা দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করায় খুচরা পর্যায়েও এর আঁচ লেগেছে। গতকাল পশ্চিম নাখালপাড়ার মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এর পাশাপাশি বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকট আগের চেয়ে তীব্র হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে লিটারে পাঁচ টাকা বাড়লেও পাঁচ লিটারের বোতলজাত তেলের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। কে বি স্টোরের স্বত্বাধিকারী বিকাশ বণিকের অভিযোগ, ডিলাররা সরকার বরাবর আরও দাম বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে এবং আমদানি করা বিভিন্ন ফলের দামও আকাশছোঁয়া; বাজারে প্রতি কেজি মালটা ও কমলা ৪২০-৪৫০ টাকা, আপেল ৩৪০-৩৬০ টাকা এবং লাল আঙুর ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান মনে করেন, জ্বালানি তেলের কারণে পরিবহন খরচ কেজিতে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২৫ পয়সা বাড়লেও ব্যবসায়ীরা তা বাড়িয়ে পণ্যের দাম দ্বিগুণ করছেন। তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের এই প্রবণতাকে ভোক্তার ওপর বাড়তি বোঝা হিসেবে অভিহিত করে কঠোর বাজার তদারকির দাবি জানান। নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লেই সবকিছুর দাম বাড়াতে হবে—এমন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে কিলোমিটারপ্রতি পরিবহন ভাড়া এবং উৎপাদন ব্যয়ের সঠিক বিশ্লেষণ প্রদানের আহ্বান জানান, যাতে কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, পরিবহন ভাড়া ২৫ পয়সা বাড়লে সেই অজুহাতে অতিরিক্ত মুনাফা করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি বাড়ানো হয়েছে এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। বাজারে যেন ব্যবসায়ীরা মনগড়া দাম বসিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সরকারের কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আয় ও ব্যয়ের সমন্বয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, বরিশাল থেকে তিন হাজার ২০০ কেজি হাতে ভাজা মুড়ি আনতে আগে ১৬ হাজার টাকা ভাড়া লাগত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে ব্যবসায়ীরাও ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নিত্যপণ্যের দামের অস্থিরতায় নাভিশ্বাস, বাজারে নজরদারি বাড়ার তাগিদ

আপলোডের সময় : 11:36:50 am, Thursday, 24 September 2026

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আগেই গত দেড় মাস ধরে আটা-ময়দার চড়া মূল্যে নাভিশ্বাস উঠেছিল সাধারণ ক্রেতাদের। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই নিত্যপণ্য দুটির দাম কেজিতে আরও ১০ টাকা করে বেড়েছে। রাজধানীর নাখালপাড়া, মহাখালী, কলমিলতা কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত আটা ৭০ টাকা এবং ময়দা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল যথাক্রমে ৬০ ও ৭০ টাকা। একইভাবে খোলা আটা ও ময়দার দাম পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে; বর্তমানে খোলা আটা কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মহাখালীর কে বি স্টোরের স্বত্বাধিকারী বিকাশ বণিক জানান, কোম্পানিগুলো সরবরাহ করা দুই কেজির প্যাকেটে নতুন খুচরা মূল্য যথাক্রমে ১৪০ ও ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে, যে কারণে তারা গায়ের দামেই পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, গত এক মাসে প্যাকেটজাত আটার দাম ৪ শতাংশ এবং ময়দার দাম ১৭ শতাংশ বেড়েছে। আটা-ময়দার এমন ঊর্ধ্বগতির বাজারে এখন চালের দাম বাড়ারও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ট্রাক ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় চালের পাইকারি বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের ইসমাইল অ্যান্ড সন্সের বিক্রয়কর্মী মহিউদ্দিন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৫ টন চাল পরিবহনে ট্রাক ভাড়া ১৭ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২১ হাজার টাকায় ঠেকেছে, যা প্রতি কেজি চালে প্রায় ২৭ পয়সা বাড়তি পরিবহন ব্যয় যোগ করছে। একই বাজারের মুক্তা রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান বলেন, পরিবহন ব্যয় বাড়ায় চালের দাম অন্তত ৫০ পয়সা থেকে এক টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। যদিও বর্তমানে আগের কেনা মজুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুচরা বাজারে দাম পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এছাড়া মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট থেকে ছোট পিকআপে চাল আনা-নেওয়ায় গাড়িভাড়া ২০০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও শীঘ্রই এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুধু চাল বা আটা নয়, ডিজেলের দাম বাড়ার দোহাই দিয়ে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও বাড়ানো হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ী মনির হোসেন জানান, বরিশাল থেকে মুড়ি আনতে ট্রাক ভাড়া তিন হাজার টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে, যার ফলে প্রতি কেজি মুড়িতে এক টাকা ব্যয় বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি মুড়ি ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারেও একই অস্থিরতা বিরাজ করছে; পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে পাইকাররা দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করায় খুচরা পর্যায়েও এর আঁচ লেগেছে। গতকাল পশ্চিম নাখালপাড়ার মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এর পাশাপাশি বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকট আগের চেয়ে তীব্র হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে লিটারে পাঁচ টাকা বাড়লেও পাঁচ লিটারের বোতলজাত তেলের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। কে বি স্টোরের স্বত্বাধিকারী বিকাশ বণিকের অভিযোগ, ডিলাররা সরকার বরাবর আরও দাম বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে এবং আমদানি করা বিভিন্ন ফলের দামও আকাশছোঁয়া; বাজারে প্রতি কেজি মালটা ও কমলা ৪২০-৪৫০ টাকা, আপেল ৩৪০-৩৬০ টাকা এবং লাল আঙুর ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান মনে করেন, জ্বালানি তেলের কারণে পরিবহন খরচ কেজিতে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২৫ পয়সা বাড়লেও ব্যবসায়ীরা তা বাড়িয়ে পণ্যের দাম দ্বিগুণ করছেন। তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের এই প্রবণতাকে ভোক্তার ওপর বাড়তি বোঝা হিসেবে অভিহিত করে কঠোর বাজার তদারকির দাবি জানান। নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লেই সবকিছুর দাম বাড়াতে হবে—এমন যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে কিলোমিটারপ্রতি পরিবহন ভাড়া এবং উৎপাদন ব্যয়ের সঠিক বিশ্লেষণ প্রদানের আহ্বান জানান, যাতে কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, পরিবহন ভাড়া ২৫ পয়সা বাড়লে সেই অজুহাতে অতিরিক্ত মুনাফা করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি বাড়ানো হয়েছে এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। বাজারে যেন ব্যবসায়ীরা মনগড়া দাম বসিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সরকারের কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আয় ও ব্যয়ের সমন্বয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, বরিশাল থেকে তিন হাজার ২০০ কেজি হাতে ভাজা মুড়ি আনতে আগে ১৬ হাজার টাকা ভাড়া লাগত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে ব্যবসায়ীরাও ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।