যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানের নারীরা

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে হুমকির মুখে ইরানজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণের প্রবণতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে রাজধানী তেহরানের ইমাম হোসেইন স্কয়ারে নারীরা অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছেন। ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’ নামে একটি গণঅভিযানের অংশ হিসেবে গত বুধবার সেখানে নতুন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডার হোজ্জাতুল ইসলাম হোসেইন তাইয়েব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে, যখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ছিল। মূলত ১৯৮০-এর দশকের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়ের ‘জনগণের প্রতিরক্ষা’ কৌশল থেকেই এই উদ্যোগের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে আসা সাধারণ মানুষের সংখ্যা আরও বেড়েছে, যাদের একটি বড় অংশই নারী। সে সময় ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সামরিক অভিযান তীব্র আকার ধারণ করে। ‘জনগণের প্রতিরক্ষা’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগের শিকড় ১৯৮০-এর দশকের রক্তক্ষয়ী ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়কার প্রতি।

প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথমে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর তাদের আগ্নেয়াস্ত্র চালানো, ছোট ড্রোন পরিচালনা এবং কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মতো সামরিক কৌশল শেখানো হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি অবস্থায় জীবন রক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসাবিদ্যার ওপরও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরবর্তীতে আরও উন্নত ও জটিল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে অস্ত্র হাতে নিচ্ছেন ইরানের নারীরা

আপলোডের সময় : 10:14:18 am, Tuesday, 29 September 2026

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে হুমকির মুখে ইরানজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণের প্রবণতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে রাজধানী তেহরানের ইমাম হোসেইন স্কয়ারে নারীরা অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছেন। ‘ইরানের জন্য আত্মত্যাগ’ নামে একটি গণঅভিযানের অংশ হিসেবে গত বুধবার সেখানে নতুন একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর কমান্ডার হোজ্জাতুল ইসলাম হোসেইন তাইয়েব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে, যখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ছিল। মূলত ১৯৮০-এর দশকের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়ের ‘জনগণের প্রতিরক্ষা’ কৌশল থেকেই এই উদ্যোগের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে আসা সাধারণ মানুষের সংখ্যা আরও বেড়েছে, যাদের একটি বড় অংশই নারী। সে সময় ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সামরিক অভিযান তীব্র আকার ধারণ করে। ‘জনগণের প্রতিরক্ষা’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগের শিকড় ১৯৮০-এর দশকের রক্তক্ষয়ী ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়কার প্রতি।

প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবকদের প্রথমে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর তাদের আগ্নেয়াস্ত্র চালানো, ছোট ড্রোন পরিচালনা এবং কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মতো সামরিক কৌশল শেখানো হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি অবস্থায় জীবন রক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসাবিদ্যার ওপরও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরবর্তীতে আরও উন্নত ও জটিল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।