
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনের সত্তোরোর্ধ্ব বৃদ্ধা মা, নূরজাহান বেগম। নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু যখন হামলা, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগে ছাই হয়ে গেল, তখন বুকভরা আশা নিয়ে বিচার চাইতে ছুটে গিয়েছিলেন থানায়।
আইন রক্ষাকারীদের দুয়ার থেকে খালি হাতে ফিরে শেষ পর্যন্ত তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন আদালতের। কিন্তু বিচার চাওয়ার অপরাধেই যেন নেমে এলো নির্মম শাস্তি।
মামলা করার ঠিক পরদিনই আলোচনার বাহানায় তাঁকে থানায় ডেকে আনা হয়। আর সেখানেই ঘটল অবিশ্বাস্য কাণ্ড—বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের এক সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি বানিয়ে গ্রেফতার করা হলো এই বয়োবৃদ্ধা মাকে।
ন্যায়বিচার চাইতে গিয়ে একজন প্রবীণ মানুষের কপালে এমন অবিচার—ভেবেও স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়।
সচেতন মহল বলেছেন,ইতিহাস একদিন সাক্ষ্য দেবে,কোনো অন্ধকারের রাজত্বই চিরস্থায়ী নয়, এই অন্যায়ের মেঘ কেটে গিয়ে আলোর সূর্য একদিন উঠবেই। থেকে খালি হাতে ফিরে শেষ পর্যন্ত তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন আদালতের। কিন্তু বিচার চাওয়ার অপরাধেই যেন নেমে এলো নির্মম শাস্তি।
মামলা করার ঠিক পরদিনই আলোচনার বাহানায় তাঁকে থানায় ডেকে আনা হয়। আর সেখানেই ঘটল অবিশ্বাস্য কাণ্ড—বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরের এক সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি বানিয়ে গ্রেফতার করা হলো এই বয়োবৃদ্ধা মাকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন,ন্যায় বিচার চাইতে গিয়ে একজন প্রবীণ মানুষের কপালে এমন অবিচার—ভেবেও স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়।
সচেতন মহল বলেছেন,ইতিহাস একদিন সাক্ষ্য দেবে,কোনো অন্ধকারের রাজত্বই চিরস্থায়ী নয়, এই অন্যায়ের মেঘ কেটে গিয়ে আলোর সূর্য একদিন উঠবেই।
উৎপল ঘোষ, ক্রাইম রিপোর্টার 



















