
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানের ককপিটে কো-পাইলটের ছুরিকাঘাতে আহত হন মূল ক্যাপ্টেন। এ সময় বিমানটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন হামলাকারী কো-পাইলট। আকস্মিক এই হামলার মুখে বিমানটি মাত্র ৩০ সেকেন্ডের কম সময়ের মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়ে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে তিনি এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ককপিটের দরজা খোলার পর অন্য একজন কো-পাইলট এবং যাত্রী হিসেবে থাকা এক প্লাম্বার দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। ওই প্লাম্বার উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে অপর কো-পাইলটের সহায়তায় বিমানটিকে খাড়াভাবে নিচে পড়া থেকে টেনে তুলতে সক্ষম হন। শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের সাহসিকতায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ইসরাইলগামী ওই যাত্রীবাহী বিমানকে একজন প্লাম্বার বা কলমিস্ত্রি বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন।
তবে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ঘটনাটি পুরোপুরি সত্য কি না সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। মূলত নেতানিয়াহুর বর্ণনার ভিত্তিতেই তিনি এই রোমহর্ষক ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই ফ্লাইটের ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 

























