সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ৬টি ধ্বংস

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) চালানো এসব হামলায় ব্যবহৃত মোট ছয়টি অস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, খামিস মুশাইতের আকাশ থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন এবং জাজানের আকাশ থেকে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্সের তথ্যানুযায়ী, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ খামিস মুশাইতের আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এতে কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আল-মালিকি এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী হুতি মিলিশিয়াদের যে কোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা প্রতিহত করতে সৌদি জোট সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।

এদিকে, সর্বশেষ এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত মঙ্গলবার ভোরে মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার মূল হোতাও ছিল হুতিরা। ওই কেন্দ্র থেকে মসজিদে নববীসহ মদিনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। হামলার ফলে কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে পড়লেও সৌদি আরবের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

মদিনার সেই হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান। এছাড়া গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। জোটটি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, সৌদি আরব ও দেশটির পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, ৬টি ধ্বংস

আপলোডের সময় : 10:20:00 am, Friday, 2 October 2026

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) চালানো এসব হামলায় ব্যবহৃত মোট ছয়টি অস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, খামিস মুশাইতের আকাশ থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন এবং জাজানের আকাশ থেকে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্সের তথ্যানুযায়ী, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ খামিস মুশাইতের আবাসিক এলাকায় গিয়ে পড়ে। এতে কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আল-মালিকি এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী হুতি মিলিশিয়াদের যে কোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা প্রতিহত করতে সৌদি জোট সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।

এদিকে, সর্বশেষ এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, গত মঙ্গলবার ভোরে মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার মূল হোতাও ছিল হুতিরা। ওই কেন্দ্র থেকে মসজিদে নববীসহ মদিনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। হামলার ফলে কেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে পড়লেও সৌদি আরবের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

মদিনার সেই হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান। এছাড়া গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। জোটটি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, সৌদি আরব ও দেশটির পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।