
মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ইরানকে সমঝোতায় বাধ্য করতে সামরিক কৌশল জোরদার করেছে ওয়াশিংটন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্যান ডিয়েগো নৌঘাঁটি থেকে বিশাল স্ট্রাইক গ্রুপসহ ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ নাগাদ এই অঞ্চলে তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে।
শুক্রবার ২ অক্টোবর আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, থিওডর রুজভেল্টের পাশাপাশি স্যান ডিয়েগো থেকে ম্যাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের সদস্যরাও রওনা হয়েছেন। দুই হাজারেরও বেশি মেরিন সেনাসদস্য নিয়ে গঠিত এই বাহিনী ইরানের আশপাশের এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের হাতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিকল্প রয়েছে। মূলত সামরিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই ইরানকে সমঝোতার টেবিলে আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন নেতৃত্ব। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানকে সমঝোতায় আনতে সামরিক চাপ বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিনিধির নাম 

























