চুয়েটে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে প্রবেশ করলেন নতুন ভিসি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান সর্বাত্মক শাটডাউন ও কর্মবিরতির উপেক্ষা করেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রবেশ করেন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর তাকে একটি চেয়ারে বসানো হয় এবং সে সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে মুঠোফোনে ছবি তুলতেও দেখা যায়। তবে এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এই পরিবর্তন মেনে নিতে না পেরে শিক্ষার্থীরা ওই রাতেই প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য অনলাইনে নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করলেও আন্দোলনের মুখে এতদিন তিনি সশরীরে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে পারেননি।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহালের দাবিতে টানা ২০ দিন ধরে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা চলছে। শিক্ষার্থীদের শাটডাউনের সাথে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। গত ১০ অক্টোবর অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই দিনে প্রশাসনিক ভবন-২ এর সামনে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুমকি দেয়। এছাড়া রোববারও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

চুয়েটে প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে প্রবেশ করলেন নতুন ভিসি

আপলোডের সময় : 11:42:44 am, Monday, 12 October 2026

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান সর্বাত্মক শাটডাউন ও কর্মবিরতির উপেক্ষা করেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সোমবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রবেশ করেন। তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর তাকে একটি চেয়ারে বসানো হয় এবং সে সময় কয়েকজন ব্যক্তি তার সঙ্গে মুঠোফোনে ছবি তুলতেও দেখা যায়। তবে এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এই পরিবর্তন মেনে নিতে না পেরে শিক্ষার্থীরা ওই রাতেই প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন উপাচার্য অনলাইনে নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করলেও আন্দোলনের মুখে এতদিন তিনি সশরীরে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে পারেননি।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় স্বপদে বহালের দাবিতে টানা ২০ দিন ধরে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা চলছে। শিক্ষার্থীদের শাটডাউনের সাথে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। গত ১০ অক্টোবর অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই দিনে প্রশাসনিক ভবন-২ এর সামনে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুমকি দেয়। এছাড়া রোববারও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।