সময়মতো ৯৯ শতাংশ প্রকল্প হস্তান্তর করল শেলটেক

আবাসন খাতে দীর্ঘ ৩৮ বছরের পথচলায় ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে শেলটেক। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা ৪ হাজার ৬৫০টির বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস সফলভাবে হস্তান্তর করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের গৃহীত ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের বড় অর্জনগুলোর একটি। এই পেশাদারত্ব ও মান বজায় রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি মান ব্যবস্থাপনায় আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদও অর্জন করেছে। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প ‘সময়মতো’ হস্তান্তরকে প্রতিষ্ঠানটি ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছে। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর করা প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রতিটি প্রকল্পে স্থায়ী মূল্য, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের চেষ্টা। কর্মকর্তারা বলছেন, এত বছরে তাঁদের সবচেয়ে ‘বড় প্রাপ্তি’ গ্রাহক ও জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী আস্থা।

পরিবেশবান্ধব ডিজাইন ও গ্রিন আর্কিটেকচারের নীতিমালা অনুসরণ করে শেলটেক তাদের প্রকল্পগুলো সাজাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরা, আদাবর ও তেজগাঁওসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের কাজ চলছে। এছাড়া চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও দক্ষিণ খুলশীতেও তাদের প্রকল্প রয়েছে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের পাশাপাশি উন্নত নগরজীবন নিশ্চিত করাকে তারা অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে। পরিবেশবান্ধব চর্চা ও গ্রিন ডিজাইনের নীতি অনুসরণ করে উন্নয়নকাজ করছে তারা। তাদের লক্ষ্য, এমন প্রকল্প গড়ে তোলা, যা উন্নততর শহর, শক্তিশালী কমিউনিটি ও টেকসই নগর ভবিষ্যতে ভূমিকা রাখবে।

শেলটেকের চলমান বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ের ‘শেলটেক উইন্ডফ্লাওয়ার’। ৮১ কাঠার বেশি জমিতে নির্মিত ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্টের এই কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চ মাসে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক খাতে তেজগাঁওয়ের লাভ রোডে ১৪ তলা বিশিষ্ট ‘ভিঞ্চিয়া শেলটেক টাওয়ার’ নির্মাণের কাজ চলছে, যা ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আধুনিক অফিস স্পেস ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মস্থল তৈরির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমিতে গড়ে উঠছে ‘শেল্​টেক্​ উইন্ডফ্লাওয়ার’।

বাণিজ্যিক ও আবাসন উভয় খাতেই শেলটেকের সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। বনশ্রী এলাকায় ১৭ তলা বিশিষ্ট ‘শেলটেক লিগ্যাসি প্লাজা’ নামে একটি আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের পাশাপাশি জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় ২১টি প্রকল্পের কাজও চলমান। প্রতিটি প্রকল্পেই স্থায়ী মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকার বজায় রাখার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মতে, কেবল ভবন নির্মাণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ধরে রাখাই শেলটেকের অগ্রযাত্রার মূল ভিত্তি। প্রকল্পের অবস্থান, আয়তন, তলা, পার্কিং ও পরিশোধপদ্ধতি অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সময়মতো ৯৯ শতাংশ প্রকল্প হস্তান্তর করল শেলটেক

আপলোডের সময় : 09:37:52 am, Tuesday, 13 October 2026

আবাসন খাতে দীর্ঘ ৩৮ বছরের পথচলায় ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে শেলটেক। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা ৪ হাজার ৬৫০টির বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস সফলভাবে হস্তান্তর করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের গৃহীত ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প নির্ধারিত সময়েই ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের বড় অর্জনগুলোর একটি। এই পেশাদারত্ব ও মান বজায় রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি মান ব্যবস্থাপনায় আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদও অর্জন করেছে। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প ‘সময়মতো’ হস্তান্তরকে প্রতিষ্ঠানটি ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছে। ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর করা প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রতিটি প্রকল্পে স্থায়ী মূল্য, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের চেষ্টা। কর্মকর্তারা বলছেন, এত বছরে তাঁদের সবচেয়ে ‘বড় প্রাপ্তি’ গ্রাহক ও জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী আস্থা।

পরিবেশবান্ধব ডিজাইন ও গ্রিন আর্কিটেকচারের নীতিমালা অনুসরণ করে শেলটেক তাদের প্রকল্পগুলো সাজাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরা, আদাবর ও তেজগাঁওসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের কাজ চলছে। এছাড়া চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও দক্ষিণ খুলশীতেও তাদের প্রকল্প রয়েছে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের পাশাপাশি উন্নত নগরজীবন নিশ্চিত করাকে তারা অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে। পরিবেশবান্ধব চর্চা ও গ্রিন ডিজাইনের নীতি অনুসরণ করে উন্নয়নকাজ করছে তারা। তাদের লক্ষ্য, এমন প্রকল্প গড়ে তোলা, যা উন্নততর শহর, শক্তিশালী কমিউনিটি ও টেকসই নগর ভবিষ্যতে ভূমিকা রাখবে।

শেলটেকের চলমান বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ের ‘শেলটেক উইন্ডফ্লাওয়ার’। ৮১ কাঠার বেশি জমিতে নির্মিত ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্টের এই কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মার্চ মাসে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক খাতে তেজগাঁওয়ের লাভ রোডে ১৪ তলা বিশিষ্ট ‘ভিঞ্চিয়া শেলটেক টাওয়ার’ নির্মাণের কাজ চলছে, যা ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আধুনিক অফিস স্পেস ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মস্থল তৈরির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমিতে গড়ে উঠছে ‘শেল্​টেক্​ উইন্ডফ্লাওয়ার’।

বাণিজ্যিক ও আবাসন উভয় খাতেই শেলটেকের সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। বনশ্রী এলাকায় ১৭ তলা বিশিষ্ট ‘শেলটেক লিগ্যাসি প্লাজা’ নামে একটি আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের পাশাপাশি জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় ২১টি প্রকল্পের কাজও চলমান। প্রতিটি প্রকল্পেই স্থায়ী মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকার বজায় রাখার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মতে, কেবল ভবন নির্মাণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী আস্থা ধরে রাখাই শেলটেকের অগ্রযাত্রার মূল ভিত্তি। প্রকল্পের অবস্থান, আয়তন, তলা, পার্কিং ও পরিশোধপদ্ধতি অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তিত হয়।