বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কোনো জাতিকে দমানো সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান

সামরিক আগ্রাসন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো জাতিকে ধ্বংস করা কিংবা আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্পষ্ট করেছেন যে কেবল বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে কোনো সমাজকে বশ করা যায় না। বরং দেশের ভেতরে বিভেদ তৈরি হলেই কেবল বাইরের শত্রুরা নিজেদের লক্ষ্য পূরণে সফল হতে পারে। তাই বর্তমান সংকটময় সময়ে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশটির সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ক রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমোজ প্রণালি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তার ভাষ্যমতে, বর্তমানে হরমোজ প্রণালি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বা প্রয়োজনীয় সমন্বয় ব্যতীত এই জলপথ অতিক্রমের চেষ্টা করা হলে তার কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি দাবি করেন, হরমোজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে ইরানি নৌবাহিনীর বিশাল বহর মোতায়েন রয়েছে এবং পুরো জলসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম ও তরুণ প্রজন্মের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো হুমকি প্রতিহত করতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি মেহর নিউজ এজেন্সিকে জানান। সামনে থাকা সব চ্যালেঞ্জ ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

অন্যদিকে, ইরানের এই দাবির সাথে একমত নয় যুক্তরাষ্ট্র। গত বুধবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমোজ প্রণালির ওপর ইরানের একক কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এছাড়া মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার যে হুমকি ইরান দিয়েছে, তাকে ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ্য বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কোনো জাতিকে দমানো সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান

আপলোডের সময় : 10:44:38 am, Friday, 16 October 2026

সামরিক আগ্রাসন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো জাতিকে ধ্বংস করা কিংবা আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্পষ্ট করেছেন যে কেবল বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে কোনো সমাজকে বশ করা যায় না। বরং দেশের ভেতরে বিভেদ তৈরি হলেই কেবল বাইরের শত্রুরা নিজেদের লক্ষ্য পূরণে সফল হতে পারে। তাই বর্তমান সংকটময় সময়ে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশটির সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ক রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমোজ প্রণালি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তার ভাষ্যমতে, বর্তমানে হরমোজ প্রণালি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বা প্রয়োজনীয় সমন্বয় ব্যতীত এই জলপথ অতিক্রমের চেষ্টা করা হলে তার কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি দাবি করেন, হরমোজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে ইরানি নৌবাহিনীর বিশাল বহর মোতায়েন রয়েছে এবং পুরো জলসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম ও তরুণ প্রজন্মের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো হুমকি প্রতিহত করতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি মেহর নিউজ এজেন্সিকে জানান। সামনে থাকা সব চ্যালেঞ্জ ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

অন্যদিকে, ইরানের এই দাবির সাথে একমত নয় যুক্তরাষ্ট্র। গত বুধবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমোজ প্রণালির ওপর ইরানের একক কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এছাড়া মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার যে হুমকি ইরান দিয়েছে, তাকে ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ্য বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল।