নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের পথে কাতার

কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে নতুন একটি আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার সরকার। দোহায় আয়োজিত গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে তিনি বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই খুব দ্রুত এই ঘোষণা আসবে। আল-থানি জানান, সম্প্রতি কাতার তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা, ড্রোন হামলা প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও পানির নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে আল-থানি বলেন, মৌলিক বিষয়গুলোতে সব দেশের মধ্যে ঐকমত্য থাকলেও প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। আল-থানি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মৌলিক বিষয়গুলোতে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে।

আল-থানির দাবি অনুযায়ী, চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যৌথ অভিজ্ঞতা এবং কয়েক দশকের ধারাবাহিক সামরিক বিনিয়োগের ফলে এই অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এতে ৯০ শতাংশেরও বেশি সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের পথে কাতার

আপলোডের সময় : 08:57:49 am, Tuesday, 20 October 2026

কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে নতুন একটি আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার সরকার। দোহায় আয়োজিত গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে তিনি বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই খুব দ্রুত এই ঘোষণা আসবে। আল-থানি জানান, সম্প্রতি কাতার তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা, ড্রোন হামলা প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও পানির নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে আল-থানি বলেন, মৌলিক বিষয়গুলোতে সব দেশের মধ্যে ঐকমত্য থাকলেও প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। আল-থানি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মৌলিক বিষয়গুলোতে আমাদের মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে।

আল-থানির দাবি অনুযায়ী, চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যৌথ অভিজ্ঞতা এবং কয়েক দশকের ধারাবাহিক সামরিক বিনিয়োগের ফলে এই অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এতে ৯০ শতাংশেরও বেশি সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।