পঞ্চমবারের মতো খোলা হচ্ছে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগ এবং জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থাপিত দানবাক্সগুলো আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) পঞ্চমবারের মতো খোলা হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এগুলো খোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা গণনার কাজ চলছে। ৩৫ দিন বিরতির পর দানবাক্সগুলো পুনরায় খোলার এই প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। প্রায় ১ মাস ৫ দিন (৩৫ দিন) পর আবারও দানবাক্সগুলো খোলা হচ্ছে।

মাজারের দানবাক্স খোলার এই নতুন ধারাবাহিকতা শুরু হয় গত ২২ জুন, যখন দীর্ঘদিনের পুরনো প্রথা ভেঙে প্রকাশ্যে টাকা গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপনের মাত্র চার দিনের মাথায় প্রথম গণনায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার দানবাক্স খোলার সময় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা ও রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, বহু বছরের ঐতিহ্যগত প্রথা ভেঙে গত ২২ জুন হযরত শাহজালাল (রহ।

তহবিল সংগ্রহের এই ধারায় ১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের গণনায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়। সর্বশেষ গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রায় ৩৪ দিনের ব্যবধানে চতুর্থবার বাক্সগুলো খোলা হলে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা জমা হয়েছিল।

দানবাক্স খোলার এই নিয়মিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, মাজারের তহবিলে জমা হওয়া প্রতিটি টাকা এবং সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিরাপদে রাখা হচ্ছে। এগুলোর হিসাব সংরক্ষণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

পঞ্চমবারের মতো খোলা হচ্ছে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স

আপলোডের সময় : 08:52:18 am, Saturday, 24 October 2026

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগ এবং জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থাপিত দানবাক্সগুলো আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) পঞ্চমবারের মতো খোলা হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে এগুলো খোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা গণনার কাজ চলছে। ৩৫ দিন বিরতির পর দানবাক্সগুলো পুনরায় খোলার এই প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসন ও মাজার পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। প্রায় ১ মাস ৫ দিন (৩৫ দিন) পর আবারও দানবাক্সগুলো খোলা হচ্ছে।

মাজারের দানবাক্স খোলার এই নতুন ধারাবাহিকতা শুরু হয় গত ২২ জুন, যখন দীর্ঘদিনের পুরনো প্রথা ভেঙে প্রকাশ্যে টাকা গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপনের মাত্র চার দিনের মাথায় প্রথম গণনায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার দানবাক্স খোলার সময় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা ও রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, বহু বছরের ঐতিহ্যগত প্রথা ভেঙে গত ২২ জুন হযরত শাহজালাল (রহ।

তহবিল সংগ্রহের এই ধারায় ১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের গণনায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়। সর্বশেষ গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রায় ৩৪ দিনের ব্যবধানে চতুর্থবার বাক্সগুলো খোলা হলে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা জমা হয়েছিল।

দানবাক্স খোলার এই নিয়মিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, মাজারের তহবিলে জমা হওয়া প্রতিটি টাকা এবং সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিরাপদে রাখা হচ্ছে। এগুলোর হিসাব সংরক্ষণে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।