অসচ্ছল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ভাই-বোনের পাশে NSTU Society for Disabilities

মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: আট ভাই-বোন এর মধ্যে পাঁচ জনই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। এর মধ্যে দু’জন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এক দশক আগে পিতাও তাদেরকে ছেড়ে পরপারে চলে যায়। সেই শোকে মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে এই পরিবারে কোন কর্মক্ষম ব্যক্তি নেই। তাই সত্তর ঊর্ধ বৃদ্ধা মা’কে নিয়ে চরম দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। প্রতিদিন দুইবেলা দু’মোটো খাবারের জন্য সংগ্রাম করে চলছে। উপরন্তু তাদের বসবাসযোগ্য নিজস্ব কোন ঘর নেই৷ ফুফাদের পরিত্যাক্ত ঘরে কোন রকম বসবাস করছে পরিবারটি। “NSTU Society For Disabilities”সংগঠনটির আহ্বায়ক বলেন, “দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ভাই-বোনের নেই থাকার ঘর-ঠিকমতো জুটে না খাবারও” এই শিরোনামে গত ২৩ মার্চ প্রথম আলোর একটি সংবাদ আমাদের নজরে আসে। সংবাদটি আমাদেরকে খুবই ব্যতিত করে। আমরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, এই পরিবারটি যেন পবিত্র ঈদের আনন্দ সঠিক ও সুন্দর ভাবে উপভোগ করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমাদের ইচ্ছে আছে, এই পরিবারটির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার। এবং তাদের উপযোগী একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার”। NSTU Society For Disabilities এর সদস্য সচিব ইয়াসিন হোসেন বলেন, “আমরা এত স্বল্প সময়ে এত সাড়া পাবো তা আমরা ভাবিনি। এই কাজটি করতে গিয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি পৃথিবীতে আজও মানবতা বিরাজমান রয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান আসুন আমরা যে যার অবস্থান থেকে এই পরিবারটির পাশে এসে দাড়ায়। এই পরিবারটিকে সমাজের মুলধারায় নিয়ে আসতে ভুমিকা পালন করবেন। আমরা বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের যে উদ্দেশ্য আমরা সে উদ্দেশ্য সফলভাবে সার্থকতায় রুপান্তরিত করতে পারবো।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

অসচ্ছল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ভাই-বোনের পাশে NSTU Society for Disabilities

আপলোডের সময় : 02:52:40 am, Thursday, 28 March 2024

মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: আট ভাই-বোন এর মধ্যে পাঁচ জনই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। এর মধ্যে দু’জন মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এক দশক আগে পিতাও তাদেরকে ছেড়ে পরপারে চলে যায়। সেই শোকে মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে এই পরিবারে কোন কর্মক্ষম ব্যক্তি নেই। তাই সত্তর ঊর্ধ বৃদ্ধা মা’কে নিয়ে চরম দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। প্রতিদিন দুইবেলা দু’মোটো খাবারের জন্য সংগ্রাম করে চলছে। উপরন্তু তাদের বসবাসযোগ্য নিজস্ব কোন ঘর নেই৷ ফুফাদের পরিত্যাক্ত ঘরে কোন রকম বসবাস করছে পরিবারটি। “NSTU Society For Disabilities”সংগঠনটির আহ্বায়ক বলেন, “দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ভাই-বোনের নেই থাকার ঘর-ঠিকমতো জুটে না খাবারও” এই শিরোনামে গত ২৩ মার্চ প্রথম আলোর একটি সংবাদ আমাদের নজরে আসে। সংবাদটি আমাদেরকে খুবই ব্যতিত করে। আমরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, এই পরিবারটি যেন পবিত্র ঈদের আনন্দ সঠিক ও সুন্দর ভাবে উপভোগ করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমাদের ইচ্ছে আছে, এই পরিবারটির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার। এবং তাদের উপযোগী একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার”। NSTU Society For Disabilities এর সদস্য সচিব ইয়াসিন হোসেন বলেন, “আমরা এত স্বল্প সময়ে এত সাড়া পাবো তা আমরা ভাবিনি। এই কাজটি করতে গিয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি পৃথিবীতে আজও মানবতা বিরাজমান রয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আমার উদাত্ত আহ্বান আসুন আমরা যে যার অবস্থান থেকে এই পরিবারটির পাশে এসে দাড়ায়। এই পরিবারটিকে সমাজের মুলধারায় নিয়ে আসতে ভুমিকা পালন করবেন। আমরা বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের যে উদ্দেশ্য আমরা সে উদ্দেশ্য সফলভাবে সার্থকতায় রুপান্তরিত করতে পারবো।”