ঝিকরগাছায় টিইও’র ভূল তথ্যের খেসারত দিচ্ছে শিক্ষক লিজা আক্তার

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) এর ভুল তথ্যের খেসারত দিতে হচ্ছে নাভারন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিজা আক্তার। তার ৮বছরের একটা সন্তান থাকার পর আর কোন সন্তান না হওয়ার পরও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাকে আবেদন বা কাগজপত্র বিহীন ভাবে অনলাইনে দেখানো হচ্ছে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। যার কারণে তার আর বদলী হওয়া হলো না। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটিয়েছেন ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেহেলী ফেরদৌস।

লিজা আক্তার জানান, আমি গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত বদলীর সমস্ত নীতিমালা মেনে অনলাইনে আবেদন করি। সবকিছু ঠিকই ছিলো। কিন্তু পরে দেখি আমাদের কর্মকর্তা আমাকে মাতৃত্বকালীন ছুটি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন। আর সে কারণে আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। আমি তো প্রতিদিন স্কুল করছি। তিনি কোন তথ্যের ভিত্তিতে আমার মাতৃত্বকালীন ছুটি দেখালেন, সেটা বুঝতে পারলাম না। আমার এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

লিজা আক্তারের বদলী না হওয়ার সম্পর্কে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেহেলী ফেরদৌস বলেন, যে সময় আমরা অনলাইনে কাজ করছিলাম তখন নেটের সমস্যা ছিলো সফওয়্যারের কাজ কর ছিলো না। পরবর্তীতে অন্য একটি থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি কপি করে নিয়ে পেষ্ট করার সাথে সাথে সেটা সাবমিট হয়ে গেছে। যার কারণে এটা একটা ভুল হয়ে গেছে। তবে এই জন্য তার বদলির সমস্যা হয়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

Verified by MonsterInsights

ঝিকরগাছায় টিইও’র ভূল তথ্যের খেসারত দিচ্ছে শিক্ষক লিজা আক্তার

আপলোডের সময় : 01:25:38 pm, Wednesday, 24 April 2024

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) এর ভুল তথ্যের খেসারত দিতে হচ্ছে নাভারন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিজা আক্তার। তার ৮বছরের একটা সন্তান থাকার পর আর কোন সন্তান না হওয়ার পরও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাকে আবেদন বা কাগজপত্র বিহীন ভাবে অনলাইনে দেখানো হচ্ছে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। যার কারণে তার আর বদলী হওয়া হলো না। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটিয়েছেন ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেহেলী ফেরদৌস।

লিজা আক্তার জানান, আমি গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত বদলীর সমস্ত নীতিমালা মেনে অনলাইনে আবেদন করি। সবকিছু ঠিকই ছিলো। কিন্তু পরে দেখি আমাদের কর্মকর্তা আমাকে মাতৃত্বকালীন ছুটি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন। আর সে কারণে আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। আমি তো প্রতিদিন স্কুল করছি। তিনি কোন তথ্যের ভিত্তিতে আমার মাতৃত্বকালীন ছুটি দেখালেন, সেটা বুঝতে পারলাম না। আমার এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

লিজা আক্তারের বদলী না হওয়ার সম্পর্কে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সেহেলী ফেরদৌস বলেন, যে সময় আমরা অনলাইনে কাজ করছিলাম তখন নেটের সমস্যা ছিলো সফওয়্যারের কাজ কর ছিলো না। পরবর্তীতে অন্য একটি থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি কপি করে নিয়ে পেষ্ট করার সাথে সাথে সেটা সাবমিট হয়ে গেছে। যার কারণে এটা একটা ভুল হয়ে গেছে। তবে এই জন্য তার বদলির সমস্যা হয়নি।