মাদ্রাসার শিক্ষক যখন বলাতকারী হয়, দেশের শিক্ষা যাবে কোথায়

রাজধানী মান্ডা মুগদা এলাকায় ইসলামিয়া দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার বড় হুজুর আব্দুল কবির হোসেন বয়স ৪৫ পিতা মোসলেম উদ্দিন সরদার। মাতা মৃত মনোয়ারা। গ্রামের বাড়ি চোর হোসনাবাদ, থানা দশমিনা জেলা পটুয়াখালী, বর্তমান ঠিকানা এ /পি-বাসা নং১৮১ দক্ষিণ মান্ডা কাজী বাড়ির গলি থানা মুগদা, ঢাকা। মুগদা থানায় আসামি কবিরের ব্যাপারে অশ্লীন ও আচরণের কারণে শিশুদের সাথে একটি মামলা হয়। এলাকার লোকজন জানায় মৌলবাদী মাওলানা মাদ্রাসার ছোট ছোট শিশুদের সাথে অশ্লীন জায়গায় হাত ও বস্ত্রহানি করে থাকেন। এলাকার লোকজন বিভিন্নভাবে বুঝানো পরেও থেমে থাকে নেই তার অসভ্যতা। এলাকার লোকজন আরো বলে যদি আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই সমস্ত ঘটনা ঘটে ছোট ছোট শিশুদের সাথে বস্ত্রহনন শিশু নির্যাতন তাও আবার মাদ্রাসা গুলোতে যেখানে শান্তির বার্তা বয়ে আনে ওই
সমস্ত নরপশুরা ইসলাম ধর্মের উপর আঘাত করে। শিক্ষক যদি নরপশু হয় তাহলে আমাদের বাচ্চারা শিক্ষা পাবে না,একটা সময় ইসলামের বদনাম হয়ে যাবে।
ঘটনার তারিখ বাইশে সেপ্টেম্বর ২০২৪ সময় সকাল অনুমান ৭ টা ৩০ ঘটিকায় এবং ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সময় বিকাল হনুমান ৫ ঘটিকায় সময় আমি মেয়ের বাবা পেশায় আমি একজন প্রাইভেটকার গাড়ির চালক আমার বর্তমান বাসা আমার স্ত্রী ও এক ছেলে মোস্তাকিন আমার শিশুকন্যা মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ কে নিয়ে একত্রে বসবাস করি। আমার কন্যা সন্তান মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ মুগদা থানা দিন জামিয়া ইসলামিয়া দারুন আমান মহিলা মাদ্রাসা ১৮১দক্ষিণ মান্ডা কাজি বাড়ির গল্লি থানা মুগদা ঢাকায় চতুর্থ শ্রেণীর পড়াশোনা করে মাদ্রাসায়। প্রতিদিন সকাল আট ঘটিকা হইতে ০১.০০ঘটিকা পর্যন্ত ও বিকাল তিন ঘটিকা হইতে রাত্র নয় ঘটিকা পর্যন্ত মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। প্রতিদিন ন্যায় গত ২২/০৯/২০২৪খ্রিঃতারিখ আমার মেয়ে আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ লেখাপড়া করতে যায়।গত ২৩/০৯/২০২৪ খ্রিঃতারিখে মাদ্রাসা যাওয়ার আগে আমার মেয়ে সকাল ৮ঃ০০ ঘটিকায় আমার স্ত্রীকে জানায় তাদের দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার বড় হুজুর আসামি আব্দুল কোবির হোসেন বয়স ৪৫ গত ২২/০৯/২০২৪খ্রিঃতারে বিকাল অনুমান ৫.ঘটিকায় সময় টিপনের সময় অফিস কক্ষ থেকে ময়লা জুড়ি বাহিরে করার জন্য মাফিয়া ১০ বয়স তাবাসুম ১১ বয়স ও আমার মেয়ে মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার ১৪কে ডেকে নিয়ে যায়। মাফিয়া ১০ ও তাপাসুম বয়স ১১কে ময়লার জুড়ি দিয়ে কৌশলে বাহিরে পাঠিয়ে দিয়ে আমার মেয়ে মোছাম্মৎ আফরোজা আক্তার ১৪ কে মুগদা থানা দিন জামিয়া লামিয়া দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার নিচতলার অফিস কক্ষের ভিতরে নিয়ে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে শরীরের বিভিন্ন জাগায় স্পর্শ কাতার আপত্তিকর স্থানে হাত দেয় ও মুখে চুম্বনের চেষ্টা করে তখন আমার মেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ওনারা জোর করে চিপা জায়গায় নিয়ে যায়। তখন মাফিয়া বয়স ১১ ময়লার বালতি নিয়ে দরজার সামনে আসলে আমার মেয়েকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে উক্ত বিষয়ে উৎসব জনতা দলবদ্ধভাবে আসামিকে আব্দুল কবীর হোসেন বয়স ৪৫ কে ধরে থানায় দিলে থানা পুলিশ আসলে আমি আমার মেয়ে আফরোজা ও প্রতিবেশী উর্মি ও আসামিয়া আব্দুল কবির ৪৫ কে সহ থানায় একটি এজাহার করি মামলাটি নারী শিশু নির্যাতন আইনে দায়ের করা হয়। এই নিয়ে এলাকায় জারো মিছিল ও মহিলারা সব রোডে নেমে আছে রাস্তায় এবং মাদ্রাসায় এলাকার সাধারণ জনগণ গণ মিছিল হয়। এবং এলাকাবাসী শান্তিপ্রিয় প্রশাসনের নিয়ে বিচারের সুষ্ঠু ও নেয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

মাদ্রাসার শিক্ষক যখন বলাতকারী হয়, দেশের শিক্ষা যাবে কোথায়

আপলোডের সময় : 11:11:36 am, Wednesday, 2 October 2024

রাজধানী মান্ডা মুগদা এলাকায় ইসলামিয়া দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার বড় হুজুর আব্দুল কবির হোসেন বয়স ৪৫ পিতা মোসলেম উদ্দিন সরদার। মাতা মৃত মনোয়ারা। গ্রামের বাড়ি চোর হোসনাবাদ, থানা দশমিনা জেলা পটুয়াখালী, বর্তমান ঠিকানা এ /পি-বাসা নং১৮১ দক্ষিণ মান্ডা কাজী বাড়ির গলি থানা মুগদা, ঢাকা। মুগদা থানায় আসামি কবিরের ব্যাপারে অশ্লীন ও আচরণের কারণে শিশুদের সাথে একটি মামলা হয়। এলাকার লোকজন জানায় মৌলবাদী মাওলানা মাদ্রাসার ছোট ছোট শিশুদের সাথে অশ্লীন জায়গায় হাত ও বস্ত্রহানি করে থাকেন। এলাকার লোকজন বিভিন্নভাবে বুঝানো পরেও থেমে থাকে নেই তার অসভ্যতা। এলাকার লোকজন আরো বলে যদি আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই সমস্ত ঘটনা ঘটে ছোট ছোট শিশুদের সাথে বস্ত্রহনন শিশু নির্যাতন তাও আবার মাদ্রাসা গুলোতে যেখানে শান্তির বার্তা বয়ে আনে ওই
সমস্ত নরপশুরা ইসলাম ধর্মের উপর আঘাত করে। শিক্ষক যদি নরপশু হয় তাহলে আমাদের বাচ্চারা শিক্ষা পাবে না,একটা সময় ইসলামের বদনাম হয়ে যাবে।
ঘটনার তারিখ বাইশে সেপ্টেম্বর ২০২৪ সময় সকাল অনুমান ৭ টা ৩০ ঘটিকায় এবং ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সময় বিকাল হনুমান ৫ ঘটিকায় সময় আমি মেয়ের বাবা পেশায় আমি একজন প্রাইভেটকার গাড়ির চালক আমার বর্তমান বাসা আমার স্ত্রী ও এক ছেলে মোস্তাকিন আমার শিশুকন্যা মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ কে নিয়ে একত্রে বসবাস করি। আমার কন্যা সন্তান মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ মুগদা থানা দিন জামিয়া ইসলামিয়া দারুন আমান মহিলা মাদ্রাসা ১৮১দক্ষিণ মান্ডা কাজি বাড়ির গল্লি থানা মুগদা ঢাকায় চতুর্থ শ্রেণীর পড়াশোনা করে মাদ্রাসায়। প্রতিদিন সকাল আট ঘটিকা হইতে ০১.০০ঘটিকা পর্যন্ত ও বিকাল তিন ঘটিকা হইতে রাত্র নয় ঘটিকা পর্যন্ত মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। প্রতিদিন ন্যায় গত ২২/০৯/২০২৪খ্রিঃতারিখ আমার মেয়ে আফরোজা আক্তার বয়স ১৪ লেখাপড়া করতে যায়।গত ২৩/০৯/২০২৪ খ্রিঃতারিখে মাদ্রাসা যাওয়ার আগে আমার মেয়ে সকাল ৮ঃ০০ ঘটিকায় আমার স্ত্রীকে জানায় তাদের দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার বড় হুজুর আসামি আব্দুল কোবির হোসেন বয়স ৪৫ গত ২২/০৯/২০২৪খ্রিঃতারে বিকাল অনুমান ৫.ঘটিকায় সময় টিপনের সময় অফিস কক্ষ থেকে ময়লা জুড়ি বাহিরে করার জন্য মাফিয়া ১০ বয়স তাবাসুম ১১ বয়স ও আমার মেয়ে মোছাম্মদ আফরোজা আক্তার ১৪কে ডেকে নিয়ে যায়। মাফিয়া ১০ ও তাপাসুম বয়স ১১কে ময়লার জুড়ি দিয়ে কৌশলে বাহিরে পাঠিয়ে দিয়ে আমার মেয়ে মোছাম্মৎ আফরোজা আক্তার ১৪ কে মুগদা থানা দিন জামিয়া লামিয়া দারুল আমান মহিলা মাদ্রাসার নিচতলার অফিস কক্ষের ভিতরে নিয়ে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে শরীরের বিভিন্ন জাগায় স্পর্শ কাতার আপত্তিকর স্থানে হাত দেয় ও মুখে চুম্বনের চেষ্টা করে তখন আমার মেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ওনারা জোর করে চিপা জায়গায় নিয়ে যায়। তখন মাফিয়া বয়স ১১ ময়লার বালতি নিয়ে দরজার সামনে আসলে আমার মেয়েকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে উক্ত বিষয়ে উৎসব জনতা দলবদ্ধভাবে আসামিকে আব্দুল কবীর হোসেন বয়স ৪৫ কে ধরে থানায় দিলে থানা পুলিশ আসলে আমি আমার মেয়ে আফরোজা ও প্রতিবেশী উর্মি ও আসামিয়া আব্দুল কবির ৪৫ কে সহ থানায় একটি এজাহার করি মামলাটি নারী শিশু নির্যাতন আইনে দায়ের করা হয়। এই নিয়ে এলাকায় জারো মিছিল ও মহিলারা সব রোডে নেমে আছে রাস্তায় এবং মাদ্রাসায় এলাকার সাধারণ জনগণ গণ মিছিল হয়। এবং এলাকাবাসী শান্তিপ্রিয় প্রশাসনের নিয়ে বিচারের সুষ্ঠু ও নেয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।