অতিরিক্ত মামলার অভিযোগে চট্টগ্রামে টেম্পোচালকদের সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন টেম্পোচালকরা। শনিবার (৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে মুরাদপুর মোড়ের বেলাল মসজিদের পাশে অর্ধশতাধিক চালক সড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে দুপুর ১২টার দিকে সড়ক ছাড়েন তারা।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বহদ্দারহাট থেকে জিইসিগামী, পাঁচলাইশ মোড় থেকে অক্সিজেনগামী, অক্সিজেন থেকে পাঁচলাইশগামী গাড়িগুলো আটকে যায়। এতে করে কয়েকহাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

অবরোধকারীরা জানান, ট্রাফিক সার্জেন্টরা অতিরিক্ত মামলা দেওয়ায় তারা এই কর্মসূচি পালন করেছেন। বিশেষ করে পার্কিংয়ের মামলা দেওয়া হচ্ছে। মুরাদপুরসহ নগরের বেশিরভাগ মোড়ে কোনো পার্কিং নেই। এতে করে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের যাত্রীদের ওঠা-নামা করতে হয়। এসময় সার্জেন্টরা মামলা দিচ্ছেন। একেকটি মামলা ৫ থেকে ৮ হাজার টাকার। আবার এসব মামলার টাকা গাড়ির মালিকরা দেন না। এগুলো চালকদের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে কতিপয় চালক একটি ব্যস্ততম সড়ক অবরোধ করে রাখায় ক্ষোভ দেখা দেয় জনসাধারণের মধ্যে। মুরাদপুর থেকে জিইসিগামী যাত্রী সাফায়েত হোসেন বলেন, ঠুনকো দাবিতে সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দেওয়া উচিৎ না। তাদের ২০-৫০ জনের আন্দোলনের কারণে কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। রমজান মাসে গরমের মধ্যে গাড়িতে প্রায় আধাঘণ্টার মতো আটকে থাকতে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে কর্মসূচি স্থগিত করে তাদের দাবির বিষয়ে জানানোর জন্য থানায় একটি টিম আসতে বলি। বর্তমানে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর, ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে

Verified by MonsterInsights

অতিরিক্ত মামলার অভিযোগে চট্টগ্রামে টেম্পোচালকদের সড়ক অবরোধ

আপলোডের সময় : 02:28:45 pm, Saturday, 8 March 2025

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন টেম্পোচালকরা। শনিবার (৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে মুরাদপুর মোড়ের বেলাল মসজিদের পাশে অর্ধশতাধিক চালক সড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে দুপুর ১২টার দিকে সড়ক ছাড়েন তারা।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বহদ্দারহাট থেকে জিইসিগামী, পাঁচলাইশ মোড় থেকে অক্সিজেনগামী, অক্সিজেন থেকে পাঁচলাইশগামী গাড়িগুলো আটকে যায়। এতে করে কয়েকহাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

অবরোধকারীরা জানান, ট্রাফিক সার্জেন্টরা অতিরিক্ত মামলা দেওয়ায় তারা এই কর্মসূচি পালন করেছেন। বিশেষ করে পার্কিংয়ের মামলা দেওয়া হচ্ছে। মুরাদপুরসহ নগরের বেশিরভাগ মোড়ে কোনো পার্কিং নেই। এতে করে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের যাত্রীদের ওঠা-নামা করতে হয়। এসময় সার্জেন্টরা মামলা দিচ্ছেন। একেকটি মামলা ৫ থেকে ৮ হাজার টাকার। আবার এসব মামলার টাকা গাড়ির মালিকরা দেন না। এগুলো চালকদের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। এ কারণে বাধ্য হয়ে তারা অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছে।

এদিকে কতিপয় চালক একটি ব্যস্ততম সড়ক অবরোধ করে রাখায় ক্ষোভ দেখা দেয় জনসাধারণের মধ্যে। মুরাদপুর থেকে জিইসিগামী যাত্রী সাফায়েত হোসেন বলেন, ঠুনকো দাবিতে সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দেওয়া উচিৎ না। তাদের ২০-৫০ জনের আন্দোলনের কারণে কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। রমজান মাসে গরমের মধ্যে গাড়িতে প্রায় আধাঘণ্টার মতো আটকে থাকতে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে কর্মসূচি স্থগিত করে তাদের দাবির বিষয়ে জানানোর জন্য থানায় একটি টিম আসতে বলি। বর্তমানে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।