বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৪৪ প্রার্থী

আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউইয়র্কের উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে এক উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই মনোনয়নপত্র জমার কার্যক্রম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন। এ সময় নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রার্থী ও সমর্থকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এবারের নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে মোট ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল থেকে ২১ জন করে মোট ৪২ জন এবং দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রায় ৩৫ হাজার ভোটারের এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা আগামী তিন বছর মেয়াদের জন্য সোসাইটির নেতৃত্বে আসছেন, তা নির্ধারণ করবেন ভোটাররা। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের সমর্থক ও কর্মীদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরা যখন হলরুমে প্রবেশ করছিলেন, তখন সমর্থকরা স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান।

নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদ আবারও পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে মাঠে নেমেছে। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং সহ-সভাপতি পদে মো. প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, বর্তমান নেতৃত্বের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও কমিউনিটি সংগঠক ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেল। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আজমল হোসেন কুনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ লড়ছেন। এছাড়া প্যানেলটির অন্যান্য পদের মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দুলাল বেহেদু, সহ-সভাপতি পদে আবুল কালাম ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নওশেদ হোসাইন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমী প্রার্থী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। মনোনয়নপত্র জমার দিন দুই প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক জমজমাট পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শত শত প্রার্থী-সমর্থকের স্লোগান, করতালি, ব্যানার-ফেস্টুন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ে কুইন্স প্যালেস ও আশপাশের এলাকা যেন নির্বাচনী উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই নিউইয়র্কে প্রচার-প্রচারণা ও নির্বাচনী তৎপরতা চলছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে মনোনয়নপত্র জমার দিন সেই প্রচারণা কার্যত বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনে রূপ নেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজ নিজ প্যানেলের প্রার্থীদের নাম ধরে স্লোগান দেন সমর্থকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কোথাও করতালি, কোথাও কোলাকুলি ও করমর্দন, সব মিলিয়ে পুরো সময়জুড়ে ছিল প্রাণবন্ত নির্বাচনী আবহ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ থাকলেও মনোনয়নপত্র জমাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বরং দুই পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অনেককেই পরস্পরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো পরিস্থিতি এড়াতে অনুষ্ঠানে প্রাইভেট নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৪৪ প্রার্থী

আপলোডের সময় : 09:40:54 am, Thursday, 10 September 2026

আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউইয়র্কের উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে এক উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই মনোনয়নপত্র জমার কার্যক্রম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন। এ সময় নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রার্থী ও সমর্থকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এবারের নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে মোট ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল থেকে ২১ জন করে মোট ৪২ জন এবং দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রায় ৩৫ হাজার ভোটারের এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা আগামী তিন বছর মেয়াদের জন্য সোসাইটির নেতৃত্বে আসছেন, তা নির্ধারণ করবেন ভোটাররা। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের সমর্থক ও কর্মীদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরা যখন হলরুমে প্রবেশ করছিলেন, তখন সমর্থকরা স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান।

নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদ আবারও পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে মাঠে নেমেছে। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান এবং সহ-সভাপতি পদে মো. প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, বর্তমান নেতৃত্বের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও কমিউনিটি সংগঠক ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেল। এই প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আজমল হোসেন কুনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরোজ আহমেদ লড়ছেন। এছাড়া প্যানেলটির অন্যান্য পদের মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দুলাল বেহেদু, সহ-সভাপতি পদে আবুল কালাম ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নওশেদ হোসাইন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমী প্রার্থী হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। মনোনয়নপত্র জমার দিন দুই প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক জমজমাট পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শত শত প্রার্থী-সমর্থকের স্লোগান, করতালি, ব্যানার-ফেস্টুন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ে কুইন্স প্যালেস ও আশপাশের এলাকা যেন নির্বাচনী উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই নিউইয়র্কে প্রচার-প্রচারণা ও নির্বাচনী তৎপরতা চলছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে মনোনয়নপত্র জমার দিন সেই প্রচারণা কার্যত বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনে রূপ নেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজ নিজ প্যানেলের প্রার্থীদের নাম ধরে স্লোগান দেন সমর্থকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কোথাও করতালি, কোথাও কোলাকুলি ও করমর্দন, সব মিলিয়ে পুরো সময়জুড়ে ছিল প্রাণবন্ত নির্বাচনী আবহ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুই প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তাপ থাকলেও মনোনয়নপত্র জমাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বরং দুই পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অনেককেই পরস্পরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো পরিস্থিতি এড়াতে অনুষ্ঠানে প্রাইভেট নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল।