বাহুবলে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হোসেন শাহের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

মোছাঃ নিছফা আক্তার: বাহুবলে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সরকারের গৃহীত কোনো প্রদক্ষেপ আলোর মুখ দেখছে না দীর্ঘদিন ধরে। একই কর্মস্থলে প্রায় ১০ বছরেরও অধিক সময় কাজ করার সুবাধে স্থানীয় মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন যুব কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহ । এ সখ্যতাকে পুঁজি করে কিছুসংখ্যক যুব মহিলা ও যুবকদের মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে আর্থিক সুযোগ নিচ্ছেন তিনি। সরকারের নির্দেশনা থাকলেও প্রশিক্ষিত যুবদের ঋণ না দিয়ে প্রকল্প ছাড়াই চল্লিশোর্ধ বয়সের ২ নারীকে যুব ঋণ দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প কাজের দায়িত্ব পাওয়ার সুবাধে অর্থ বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে এ যুব কর্মকর্তাকে ঘিরে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের এসব কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষিত যুব সংগঠনের সদস্যরা। এদিকে মোঃ হোসেন শাহের স্বেচ্ছাচারিতায় অফিস ছাড়তে বাধ্য হয় অনেক ফিল্ড সুপারভাইজার ও পিয়ন।প্রশিক্ষিত যুবদের প্রতিবছর ২০-২৫ জনকে ঋণ দেয়ার কথা থাকলেও কর্মকর্তার পছন্দমতো মহিলা দেখে দেখে ঋণ দেয়া হয়েছে।’ বাহুবল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মাসুম বলেন, ‘বর্তমান সরকার বেকার যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ হাতে নিলেও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে থমকে আছে যুব কার্যক্রম। প্রশিক্ষিত যুব সংসদের (প্রযুস) পক্ষে ইউএনও ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমরা আশাবাদী এর প্রতিকার পাব।’ বাহুবল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুল মান্নান বলেন, ১২ বছর ধরে এক ব্যক্তি একই জায়গায় চাকরি করলে তো দুর্নীতিতে জড়াবেই। তাকে সরানো দরকার। অনিয়ম, দুর্নীতির কথা অস্বীকার করে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহ বলেন, প্রকল্প ছাড়া কাউকে ঋণ দেয়া হয়নি। যখন উনারা প্রশিক্ষণ দেন তখন যুব ছিলেন। প্রশিক্ষণের বরাদ্দের টাকা প্রশিক্ষকরাই নিয়েছেন। হবিগঞ্জ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, বাহুবল উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনেক বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ আসছে। আমি তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

​বগুড়ার নন্দীগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় গৃহবধূসহ নিহত ২

Verified by MonsterInsights

বাহুবলে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হোসেন শাহের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

আপলোডের সময় : 09:38:57 pm, Thursday, 11 July 2024

মোছাঃ নিছফা আক্তার: বাহুবলে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সরকারের গৃহীত কোনো প্রদক্ষেপ আলোর মুখ দেখছে না দীর্ঘদিন ধরে। একই কর্মস্থলে প্রায় ১০ বছরেরও অধিক সময় কাজ করার সুবাধে স্থানীয় মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন যুব কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহ । এ সখ্যতাকে পুঁজি করে কিছুসংখ্যক যুব মহিলা ও যুবকদের মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে আর্থিক সুযোগ নিচ্ছেন তিনি। সরকারের নির্দেশনা থাকলেও প্রশিক্ষিত যুবদের ঋণ না দিয়ে প্রকল্প ছাড়াই চল্লিশোর্ধ বয়সের ২ নারীকে যুব ঋণ দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প কাজের দায়িত্ব পাওয়ার সুবাধে অর্থ বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে এ যুব কর্মকর্তাকে ঘিরে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের এসব কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষিত যুব সংগঠনের সদস্যরা। এদিকে মোঃ হোসেন শাহের স্বেচ্ছাচারিতায় অফিস ছাড়তে বাধ্য হয় অনেক ফিল্ড সুপারভাইজার ও পিয়ন।প্রশিক্ষিত যুবদের প্রতিবছর ২০-২৫ জনকে ঋণ দেয়ার কথা থাকলেও কর্মকর্তার পছন্দমতো মহিলা দেখে দেখে ঋণ দেয়া হয়েছে।’ বাহুবল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান মাসুম বলেন, ‘বর্তমান সরকার বেকার যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ হাতে নিলেও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে থমকে আছে যুব কার্যক্রম। প্রশিক্ষিত যুব সংসদের (প্রযুস) পক্ষে ইউএনও ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমরা আশাবাদী এর প্রতিকার পাব।’ বাহুবল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুল মান্নান বলেন, ১২ বছর ধরে এক ব্যক্তি একই জায়গায় চাকরি করলে তো দুর্নীতিতে জড়াবেই। তাকে সরানো দরকার। অনিয়ম, দুর্নীতির কথা অস্বীকার করে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন শাহ বলেন, প্রকল্প ছাড়া কাউকে ঋণ দেয়া হয়নি। যখন উনারা প্রশিক্ষণ দেন তখন যুব ছিলেন। প্রশিক্ষণের বরাদ্দের টাকা প্রশিক্ষকরাই নিয়েছেন। হবিগঞ্জ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক বলেন, বাহুবল উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনেক বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ আসছে। আমি তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।