
জনিরুল ইসলাম কুষ্টিয়া দৌলতপুর
সাং-চড়ুইকুড়ি,ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর,থানা দৌলতপুর, জেলা কুষ্টিয়া। আসামী মো:আনিরুল হোসেন,মো: রানা উভয় পিতা মো: ফরিদ।৩। ফরিদ পিতা মৃত লবির হোসেন। সাং-চড়ুইকুড়ি,ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর,থানা দৌলতপুর, জেলা কুষ্টিয়াদের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ করিতেছে যে, আমার ছেলে মো: রাজিব খারিজাথাক মাধ্যমিক এ ১০ শ্রেনিতে পড়ালেখা করে।পক্ষান্তরে আসামী আনিরুল এ হপার মেশিন আছে।ইং ১৭/১১/২০২৩ আনুমানিক দুপুর ২:০০ টা ঘটিকার সময় উক্ত আসামী আনিরুল কৌশলে উক্ত হপার চালানোর শেখার নাম করে ডেকে নিয়ে যায়।আমার ছেলেকে হপার মেশিন দিয়া কালাই মাড়াই করে নেই।উক্ত আসামী আমার ছেলে রাজীব কৌশলে ডাকিয়া কালাই মাড়ার নেয়ার সময় আমার ছেলের বাম হাত হপার মেশিন এ ডুকে যাই এবং সঙ্গে সঙ্গে বাম হাত এর কন্জির উপরি ভাগ পর্যন্ত কেটে পড়ে যাই।তখন আমার ছেলের ডাক চিৎকার এর সাক্ষী ১। মো: মোহর হোসেন পিতা মৃত সফর আলী। ২। মাসুদ রানা পিতা নুরু মন্ডল।৩ মো: সাদেক আলী পিতা হায়দার মন্ডল সাং-চড়ুইকুড়ি,ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর,থানা দৌলতপুর, জেলা কুষ্টিয়াদের সহযোগিতা প্রথমে দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসিয়া আমার ছেলের অবস্থা আশংকাজনক সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রেফার্ডমুলে রাজশাহী মেডিকেল এ রেফার্ড করেন। আমার ছেলেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ দিন থাকার পর ছারপত্র পেয়ে বাসাই নিয়ে আসি এই ব্যাপারে আসামীদের বাসায় আমরা ছেলের জখম সংক্রান্ত জিজ্ঞেসাবাদ করিলে আসামীরা বিভিন্ন আজে বাজে কথাসহ খুন জখম করার হুমকি দেয়।এই ব্যাপারে গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ ও আত্মীয়স্বজনের সহিত আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগ করিতে বিলম্বন হইলো
অতএব, জনাব এই ব্যাপারে আসামীদের বিরুদ্ধে আাইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করিতে মর্জি হয়।