স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে সরকারী করণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি, সিদ্ধান্ত ও আচরণ দূরীকরণ ও সরকারি করণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেছে নীলফামারী জেলার জেলা সমন্বয়ক কমিটি। বুধবার নীলফামারী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা কাছে এই স্মারকলিপিতে শিক্ষাব্যবস্থায় ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর প্রতি বৈষম্য নিরসন এবং তাদের অধিকারের বাস্তবায়নের দাবী জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উপেক্ষার শিকার হয়ে আসছে, যার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হচ্ছে না এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাও সীমিত। দেশের প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে এই মাদরাসাগুলোর উন্নতির জন্য অবিলম্বে সরকারী করণের ঘোষণা, রেজিস্ট্রেশন, এবং বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া, স্মারকলিপিতে আরও দাবী জানানো হয় যে, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলির জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করতে হবে এবং তাদের জন্য আলাদা তদারকি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক সমাবেশ সফল করার জন্য জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সম্মেলনের সমন্বয়ক কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমাদের মাদরাসাগুলির অবস্থা উন্নত করতে হবে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা নিতে পারে।”
এদিকে, সমাবেশের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য দেশব্যাপী এ দাবির পক্ষে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে সরকারী করণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

আপলোডের সময় : 06:55:30 am, Thursday, 16 January 2025

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি, সিদ্ধান্ত ও আচরণ দূরীকরণ ও সরকারি করণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেছে নীলফামারী জেলার জেলা সমন্বয়ক কমিটি। বুধবার নীলফামারী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা কাছে এই স্মারকলিপিতে শিক্ষাব্যবস্থায় ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোর প্রতি বৈষম্য নিরসন এবং তাদের অধিকারের বাস্তবায়নের দাবী জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উপেক্ষার শিকার হয়ে আসছে, যার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হচ্ছে না এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাও সীমিত। দেশের প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে এই মাদরাসাগুলোর উন্নতির জন্য অবিলম্বে সরকারী করণের ঘোষণা, রেজিস্ট্রেশন, এবং বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া, স্মারকলিপিতে আরও দাবী জানানো হয় যে, ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলির জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করতে হবে এবং তাদের জন্য আলাদা তদারকি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক সমাবেশ সফল করার জন্য জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সম্মেলনের সমন্বয়ক কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমাদের মাদরাসাগুলির অবস্থা উন্নত করতে হবে, যাতে এসব প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা নিতে পারে।”
এদিকে, সমাবেশের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য দেশব্যাপী এ দাবির পক্ষে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।