নিজ জেলায় অনুমতি ছাড়া জমি কিনে শাস্তি পেলেন আত্রাই উপজেলার ইউএনও কামাল হোসেন

সরকারের পূর্বানুমোদন না নিয়ে নিজ জেলায় জমি কেনায় শাস্তি পেয়েছেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। তিনি হলেন নওগাঁর আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামাল হোসেন। তার বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

কামাল হোসেনকে শাস্তি দিয়ে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

খুলনায় থাকার সময় কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তার মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি গ্রহণ ও চাকরিতে যোগদানকালে ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করা, নিজ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জন এবং সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া জমি কেনার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮- অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়।

তদন্তে নিজের মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি প্রাপ্তি ও চাকরিতে যোগদানের সময় ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জনের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু নিজের জেলা কুষ্টিয়ায় জমি কেনার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন না নিয়ে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯- লঙ্ঘনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ (খ)- অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী কামাল হোসেনকে দুই বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

কামাল হোসেন এর আগে তিনি খুলনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

নিজ জেলায় অনুমতি ছাড়া জমি কিনে শাস্তি পেলেন আত্রাই উপজেলার ইউএনও কামাল হোসেন

আপলোডের সময় : 04:28:52 pm, Monday, 7 April 2025

সরকারের পূর্বানুমোদন না নিয়ে নিজ জেলায় জমি কেনায় শাস্তি পেয়েছেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। তিনি হলেন নওগাঁর আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামাল হোসেন। তার বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

কামাল হোসেনকে শাস্তি দিয়ে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

খুলনায় থাকার সময় কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তার মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি গ্রহণ ও চাকরিতে যোগদানকালে ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করা, নিজ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জন এবং সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া জমি কেনার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮- অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়।

তদন্তে নিজের মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি প্রাপ্তি ও চাকরিতে যোগদানের সময় ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জনের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু নিজের জেলা কুষ্টিয়ায় জমি কেনার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন না নিয়ে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯- লঙ্ঘনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ (খ)- অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী কামাল হোসেনকে দুই বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

কামাল হোসেন এর আগে তিনি খুলনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ছিলেন।