বগুড়া সদর উপজেলার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় সহকারী সদর সেটেলমেন্ট অফিস এর কার্যালয়ে মূল্য তালিকার চেয়েও বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ওই অফিসে কর্মরত চেইনম্যান মোঃ আব্দুস ছামাদ। এ ব্যাপারে ওই অফিসের প্রধান দায়িত্বে থাকা কর্মরত জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ (সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার) এর সাথে গণমাধ্যম কর্মী কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হন নি এবং সে অন্য এক দুষ্কৃতী প্রকৃতির লোকের মাধ্যমে তার ফোন থেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিয়ে নেন গণমাধ্যম কর্মীকে।

ওই অফিসের চেইনম্যান পদে থাকা মোঃ আব্দুস ছামাদ ভুক্তভোগী বাবলুর কাছ থেকে ১০০০ টাকা নেন এবং ৭০০ টাকা ফেরত দেন কিন্তু অফিসের সরকারি মূল্য তালিকা ১০০ টাকা হলেও সে এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে হয়রানি করে আসছিল জনাব আব্দুল মজিদ এর নির্দেশে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। গণমাধ্যম কর্মী ভিডিও ধারণ করায় ভুক্তভোগী বাবলু কে বলা হয় ওই গণমাধ্যম কর্মী না আসা পর্যন্ত আমি কোন কাগজ দিতে পারবোনা। তাই সে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়েও কোন সহযোগিতা পাননি।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে জানা যায় ওই অফিসে মূল্য তালিকার চেয়েও বাড়তি টাকা ছাড়া কোন প্রকার জমির কাগজ দেখানো বা তোলা যায় না। চেইনম্যান আব্দুস ছামাদ গণমাধ্যম কর্মীকে হুমকি দিয়ে বলে কোন প্রকার নিউজ প্রকাশ করলে আমি আপনাকে ছাড়বো না। এবং ভিডিও ডিলিট করে নেওয়ার জন্য এক ঘন্টা যাবত গণমাধ্যম কর্মীকে ওই অফিসে নানান রকম কৌশলে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে চেইনম্যান মো: আব্দুস ছামাদ কসম করিয়ে নেন নিউজ প্রকাশ না করার জন্য, এই কথা বলায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বাহিরে এসে সে ওই গণমাধ্যম কর্মীকে অফিসের সিসি ক্যামেরার সামনে কাকুতি মিনতি করতে থাকে। এবং টাকার লোভ দেখানো সহ বিভিন্ন ভাবে থামানোর চেষ্টা করে। গণমাধ্যম কর্মীর সাথে এমন জঘন্য তম আচরণ করায় ক্ষুব্ধ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ে জামায়াতের নিন্দা |: সাংবাদিক রিপনকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় ও চাঁদা

Verified by MonsterInsights

বগুড়া সদর উপজেলার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

আপলোডের সময় : 07:14:59 pm, Tuesday, 20 May 2025

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় সহকারী সদর সেটেলমেন্ট অফিস এর কার্যালয়ে মূল্য তালিকার চেয়েও বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ওই অফিসে কর্মরত চেইনম্যান মোঃ আব্দুস ছামাদ। এ ব্যাপারে ওই অফিসের প্রধান দায়িত্বে থাকা কর্মরত জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ (সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার) এর সাথে গণমাধ্যম কর্মী কথা বলতে চাইলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হন নি এবং সে অন্য এক দুষ্কৃতী প্রকৃতির লোকের মাধ্যমে তার ফোন থেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিয়ে নেন গণমাধ্যম কর্মীকে।

ওই অফিসের চেইনম্যান পদে থাকা মোঃ আব্দুস ছামাদ ভুক্তভোগী বাবলুর কাছ থেকে ১০০০ টাকা নেন এবং ৭০০ টাকা ফেরত দেন কিন্তু অফিসের সরকারি মূল্য তালিকা ১০০ টাকা হলেও সে এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে হয়রানি করে আসছিল জনাব আব্দুল মজিদ এর নির্দেশে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। গণমাধ্যম কর্মী ভিডিও ধারণ করায় ভুক্তভোগী বাবলু কে বলা হয় ওই গণমাধ্যম কর্মী না আসা পর্যন্ত আমি কোন কাগজ দিতে পারবোনা। তাই সে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়েও কোন সহযোগিতা পাননি।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে জানা যায় ওই অফিসে মূল্য তালিকার চেয়েও বাড়তি টাকা ছাড়া কোন প্রকার জমির কাগজ দেখানো বা তোলা যায় না। চেইনম্যান আব্দুস ছামাদ গণমাধ্যম কর্মীকে হুমকি দিয়ে বলে কোন প্রকার নিউজ প্রকাশ করলে আমি আপনাকে ছাড়বো না। এবং ভিডিও ডিলিট করে নেওয়ার জন্য এক ঘন্টা যাবত গণমাধ্যম কর্মীকে ওই অফিসে নানান রকম কৌশলে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে চেইনম্যান মো: আব্দুস ছামাদ কসম করিয়ে নেন নিউজ প্রকাশ না করার জন্য, এই কথা বলায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বাহিরে এসে সে ওই গণমাধ্যম কর্মীকে অফিসের সিসি ক্যামেরার সামনে কাকুতি মিনতি করতে থাকে। এবং টাকার লোভ দেখানো সহ বিভিন্ন ভাবে থামানোর চেষ্টা করে। গণমাধ্যম কর্মীর সাথে এমন জঘন্য তম আচরণ করায় ক্ষুব্ধ।