গাইবান্ধায় রাস্তা নির্মাণে ভেলকিবাজি, রাতের আঁধারে ফেলা হচ্ছে খোয়া

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের পশ্চিম চাপাদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলজিইডির রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তায় বক্স কাটিং, বালু ফিলিং, সাব বেইজ ও ডাব্লিবএমএম কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি দেয়া হয়েছে। তবে কাজের শতভাগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
সরেজমিনে মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১.৫০ মিনিটে পশ্চিম চাপাদহ ধর্মতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রাতের আঁধারে ওভার সাইজ খোয়া রাস্তায় ফেলা হচ্ছে। খোয়ার মান নিয়ে ধোঁয়াশার জন্য কাদা মিশ্রণ করে নিয়ে আসা হয়েছে খোয়া। পাশাপাশি রাস্তাটি কোন প্রকল্পের বা কত মিটার এবং বরাদ্দের কোন সাইনবোর্ড টানানো হয়নি।

রাতের আঁধারে পর্যাপ্ত লাইটিং এবং এলজিইডির লোকজনের অনুপস্থিতিতে রাস্তায় খোয়া ফেলানো কি আইন বিধিসম্মত নাকি অনিয়ম ঢাকার অভিনব কৌশল।

নাম প্রকাশে অনেকেই জানান, আমরা শুনেছি কাজের মান যাচাই করার জন্য ল্যাব টেস্ট করানো হয়ে থাকে। তবে টেস্টের মাল সংগ্রহ করার পর আর কোন খোঁজ থাকে না।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী বাবলু মিয়া জানান, রাস্তার খোয়া নিয়ে আসা হয়েছে। ল্যাবটেস্টে দেয়া হয়েছে দেখি কি হয়।

সচেতন মহল বলছেন, রাস্তার কাজে সঠিক তদারকির মাধ্যমে মানসম্মত মেটা রিয়েল ব্যবহার পূর্বক টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা অপরিসীম। তবে অনিয়মের অভিযোগ সঠিকভাবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

গাইবান্ধায় রাস্তা নির্মাণে ভেলকিবাজি, রাতের আঁধারে ফেলা হচ্ছে খোয়া

আপলোডের সময় : 09:50:41 pm, Wednesday, 3 June 2026

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের পশ্চিম চাপাদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলজিইডির রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তায় বক্স কাটিং, বালু ফিলিং, সাব বেইজ ও ডাব্লিবএমএম কাজে শুভঙ্করের ফাঁকি দেয়া হয়েছে। তবে কাজের শতভাগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
সরেজমিনে মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ১১.৫০ মিনিটে পশ্চিম চাপাদহ ধর্মতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রাতের আঁধারে ওভার সাইজ খোয়া রাস্তায় ফেলা হচ্ছে। খোয়ার মান নিয়ে ধোঁয়াশার জন্য কাদা মিশ্রণ করে নিয়ে আসা হয়েছে খোয়া। পাশাপাশি রাস্তাটি কোন প্রকল্পের বা কত মিটার এবং বরাদ্দের কোন সাইনবোর্ড টানানো হয়নি।

রাতের আঁধারে পর্যাপ্ত লাইটিং এবং এলজিইডির লোকজনের অনুপস্থিতিতে রাস্তায় খোয়া ফেলানো কি আইন বিধিসম্মত নাকি অনিয়ম ঢাকার অভিনব কৌশল।

নাম প্রকাশে অনেকেই জানান, আমরা শুনেছি কাজের মান যাচাই করার জন্য ল্যাব টেস্ট করানো হয়ে থাকে। তবে টেস্টের মাল সংগ্রহ করার পর আর কোন খোঁজ থাকে না।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী বাবলু মিয়া জানান, রাস্তার খোয়া নিয়ে আসা হয়েছে। ল্যাবটেস্টে দেয়া হয়েছে দেখি কি হয়।

সচেতন মহল বলছেন, রাস্তার কাজে সঠিক তদারকির মাধ্যমে মানসম্মত মেটা রিয়েল ব্যবহার পূর্বক টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা অপরিসীম। তবে অনিয়মের অভিযোগ সঠিকভাবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।