গাইবান্ধায় গৃহবধূ নির্যাতন: প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন, বিচার ও নিরাপত্তা চাইল পরিবার

গাইবান্ধায় গৃহবধূ মোছাঃ হালিমা বেগমের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার বড় বোন মোছাঃ ফিরোজা বেগম। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, গাইবান্ধা জেলা শাখায় আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বোনের ওপর চালানো নির্যাতনের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে ফিরোজা বেগম অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় হালিমার স্বামী মোঃ গোফফার মিয়া যৌতুক হিসেবে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, একটি গাভী ও একটি সাইকেল গ্রহণ করেন। এরপরও তিনি সন্তুষ্ট না হয়ে হালিমার প্রাপ্ত প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
তার দাবি, দ্বিতীয় বিয়ের পর নতুন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোফফার মিয়া হালিমার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন। নিয়মিত মারধর, মাথায় আঘাত, পায়ে শিকল পরিয়ে আটকে রাখা এবং খাবার থেকে বঞ্চিত করার মতো অমানবিক আচরণের শিকার হন হালিমা।
এ ধরনের নির্যাতনের ফলে হালিমা বেগম বর্তমানে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীর জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগম দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটন, হালিমা বেগমের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

গাইবান্ধায় গৃহবধূ নির্যাতন: প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন, বিচার ও নিরাপত্তা চাইল পরিবার

আপলোডের সময় : 08:57:56 pm, Monday, 15 June 2026

গাইবান্ধায় গৃহবধূ মোছাঃ হালিমা বেগমের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার বড় বোন মোছাঃ ফিরোজা বেগম। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, গাইবান্ধা জেলা শাখায় আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বোনের ওপর চালানো নির্যাতনের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে ফিরোজা বেগম অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় হালিমার স্বামী মোঃ গোফফার মিয়া যৌতুক হিসেবে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, একটি গাভী ও একটি সাইকেল গ্রহণ করেন। এরপরও তিনি সন্তুষ্ট না হয়ে হালিমার প্রাপ্ত প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
তার দাবি, দ্বিতীয় বিয়ের পর নতুন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গোফফার মিয়া হালিমার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন। নিয়মিত মারধর, মাথায় আঘাত, পায়ে শিকল পরিয়ে আটকে রাখা এবং খাবার থেকে বঞ্চিত করার মতো অমানবিক আচরণের শিকার হন হালিমা।
এ ধরনের নির্যাতনের ফলে হালিমা বেগম বর্তমানে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীর জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজা বেগম দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটন, হালিমা বেগমের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।