
গাইবান্ধার সদর উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন আসামি পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের পিয়ারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে একদল ব্যক্তি জোরপূর্বক প্রবেশ করে। তারা অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মারধর করে। একই সঙ্গে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর: ৪৩/৩৮২)। মামলার বাদী মো. রোস্তম আলী মণ্ডল (৫০), পিতা মৃত তজমল হোসেন ও মাতা মোছাঃ নূরমাহার বেগম। তার বাড়ি সাঘাটা উপজেলার চিয়াগাছা এলাকায়।
মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. বাপ্পী হোসেন (২২), মো. শহীদ মিয়া (২১) ও মো. সামিউল ইসলাম (২৪)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলার ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নম্বর আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৫৫/৪২৭/৩৮৫/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার এসআই (নিরস্ত্র) পীযূষ চন্দ্র সরকার মামলাটি তদন্ত করছেন। মামলা রেকর্ডের সময় পরিদর্শক (তদন্ত) সুমঙ্গল কুমার দাশ এবং অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।