দুনিয়ার মোহ কেন মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরায়

দুনিয়া আমাদের সবসময় কোনো বড় গুনাহের দিকে ঠেলে দিয়ে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে না। অনেক ক্ষেত্রে কেবল ব্যস্ততার আড়ালেই জীবনটা কেটে যায়। একটা ভালো চাকরি হলে সব গুছিয়ে আসবে—এমন চিন্তায় শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। এরপর বেতনের আকাঙ্ক্ষা, গাড়ি কেনা, বাড়ি বানানো, নিজের জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলার অবিরাম চেষ্টা—একটা চাহিদা পূর্ণ হতে না হতেই আরেকটি সামনে এসে দাঁড়ায়। সমস্যা এসব অর্জনে নয়, বরং সমস্যাটা তখন তৈরি হয় যখন দু‘আর মাধ্যমে পাওয়া নিয়ামতগুলো হাতে আসার পরও মন শান্ত হয় না এবং “আলহামদুলিল্লাহ” বলার আগেই মনে নতুন কোনো চাহিদার উদয় হয়।

কুরআনের সূরা আত-তাকাসুরের ১-২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফিল করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছেছ।” আধুনিক জীবনের চিত্রটি যেন এই আয়াতেরই প্রতিচ্ছবি। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ফোন, কাজ, মেসেজ, বাজার-সদাই, রান্না, ডেডলাইন, সন্তানের পড়াশোনা, বিল বা কেনাকাটার ভিড়ে দিন শেষ হয়ে যায়। হয়তো আপনি বড় কোনো পাপে লিপ্ত নন, কিন্তু যোহরের সালাত “কাজটা শেষ করে পড়ব” বলতে বলতে পিছিয়ে যাচ্ছে। মা ফোন করলে ভাবছেন একটু পরে কল করবেন, কিন্তু আর হয়ে ওঠে না।

এভাবে খুব সূক্ষ্মভাবে আমাদের জীবনে দূরত্ব তৈরি হয়। সন্তান পাশে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে চাইলে আপনি হয়তো যান্ত্রিকভাবে “হুম, বলো” বলে দায় সারছেন, কিন্তু আপনার মনোযোগ স্ক্রিনের দিকে। কুরআন পড়া বা আল্লাহর স্মরণের জন্য যে সময় বরাদ্দ থাকার কথা ছিল, তা হয়তো মাসের পর মাস পড়ে আছে এক কোণে। মানুষ সাধারণত একদিনে আল্লাহকে ভুলে যায় না; বরং ছোট ছোট বিলম্বিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই সে অগোচরে সরে পড়ে। “আজ ক্লান্ত”, “এই প্রজেক্ট শেষ হোক”, “সময় পেলে কুরআন পড়ব”—এমন অজুহাতে সময় অতিবাহিত হতে থাকে। অথচ দুনিয়ার কাজ কখনো শেষ হয় না, একটি শেষ হলে আরেকটি অপেক্ষায় থাকে।

আল্লাহ সূরা আল-মুনাফিকুনের ৯ নম্বর আয়াতে সতর্ক করেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল করে না দেয়।” এখানে সম্পদ বা সন্তানকে মন্দ বলা হয়নি, কারণ এগুলো আল্লাহর নিয়ামত। বরং সতর্ক করা হয়েছে সেই পরিণতির ব্যাপারে, যখন নিয়ামতই নিয়ামতদাতাকে ভুলিয়ে দেয়। ইসলাম দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দেয় না। সূরা আল-কাসাসের ৭৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।” অর্থাৎ বৈধ পথে আয়-রোজগার, পরিবার পরিচালনা ও জীবনযাপন করতে কোনো বাধা নেই, তবে মনে রাখতে হবে এসব যেন জীবনের মূল লক্ষ্য বা আল্লাহর সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে পড়ে।

একটি কঠিন প্রশ্ন নিজেকে করা জরুরি: আমরা কি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাওয়ার চেয়ে অন্য কিছু হারানোর ভয়ে বেশি আতঙ্কিত? চাকরি, টাকা, ব্যবসা কিংবা সামাজিক অবস্থানের চেয়ে আখিরাতের প্রস্তুতি কতটা আমাদের ভাবনায় থাকে? রাসূলুল্লাহ ﷺ দুনিয়া ও আখিরাতের তুলনা বোঝাতে বলেছেন, আখিরাতের তুলনায় এই দুনিয়া সমুদ্রের পানিতে আঙুল ডুবিয়ে তুলে দেখার মতো—আঙুলের ডগায় যতটুকু পানি লেগে থাকে, দুনিয়া ঠিক ততটুকুই (সহিহ মুসলিম, ২৮৫৮)। অথচ আমরা জীবনের বড় অংশই সেই কয়েক ফোঁটা পানি বা দুনিয়াবী প্রাপ্তির পেছনে ব্যয় করে ফেলি।

আল্লাহ সূরা আল-হাদীদের ২০ নম্বর আয়াতে দুনিয়ার জীবনকে খেলাধুলা, বিনোদন, সাজসজ্জা এবং পারস্পরিক গর্বের প্রতিযোগিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর মানে জীবন বা আনন্দ বর্জন নয়, বরং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। টাকা সদকাহ, পরিবারের দায়িত্ব পালন, হালাল আয়, সন্তানের প্রতি মনোযোগ ও ঘরে সালাত-কুরআনের পরিবেশ বজায় রাখা—এসবই দুনিয়াকে আখিরাতের পাথেয় হিসেবে ব্যবহারের উপায়।

আজ শান্ত হয়ে নিজের জীবনের দিকে তাকান। সালাত কি ব্যস্ততার চাপে নিয়মিত সময়ের সাথে লড়াই করছে? কুরআন কি কেবল ফাঁকা সময় পেলেই খোলা হয়? সন্তানের সাথে সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে কি আপনি সময় দিচ্ছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সত্য হওয়া জরুরি। মনে রাখবেন, একদিন সব কাজ থেমে যাবে, মোবাইল ফোন আর বাজবে না এবং আপনার বর্তমান লক্ষ্যগুলো অন্য কারও হাতে চলে যাবে। তখন দুনিয়ার দৌড়ঝাঁপ অর্থহীন হয়ে পড়বে, কেবল আল্লাহর জন্য করা কাজগুলোই স্থায়ী হবে। তাই দুনিয়াকে তার জায়গায় রেখে রবের জন্য সময় বরাদ্দ রাখা একান্ত প্রয়োজন। আল্লাহ এমন হৃদয় দান করুন যা নিয়ামত পেয়ে তাঁকে ভুলে যায় না, বরং আরও বেশি তাঁর দিকে ফিরে আসে। আমীন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা সবসময় আপনাকে কোনো বড় গুনাহ দিয়ে আল্লাহ থেকে দূরে সরায় না। চাকরির আরও তথ্য: চাকরি হলো, তারপর মনে হলো বেতনটা আরেকটু বাড়লে ভালো হতো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আল্লাহ বলেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফিল করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছেছ।” — সূরা আত-তাকাসুর, ১০২:১–২। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কয়েকদিন ধরে কুরআনটা যেখানে রেখে দিয়েছিলেন, সেখানেই পড়ে আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিছুই নাটকীয়ভাবে নষ্ট হয়নি, তবু কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল না করে।” — সূরা আল-মুনাফিকুন, ৬৩:৯। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আল্লাহ বলেন, “আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।” — সূরা আল-কাসাস, ২৮:৭৭।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

দুনিয়ার মোহ কেন মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরায়

আপলোডের সময় : 10:49:26 am, Friday, 25 September 2026

দুনিয়া আমাদের সবসময় কোনো বড় গুনাহের দিকে ঠেলে দিয়ে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে না। অনেক ক্ষেত্রে কেবল ব্যস্ততার আড়ালেই জীবনটা কেটে যায়। একটা ভালো চাকরি হলে সব গুছিয়ে আসবে—এমন চিন্তায় শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। এরপর বেতনের আকাঙ্ক্ষা, গাড়ি কেনা, বাড়ি বানানো, নিজের জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলার অবিরাম চেষ্টা—একটা চাহিদা পূর্ণ হতে না হতেই আরেকটি সামনে এসে দাঁড়ায়। সমস্যা এসব অর্জনে নয়, বরং সমস্যাটা তখন তৈরি হয় যখন দু‘আর মাধ্যমে পাওয়া নিয়ামতগুলো হাতে আসার পরও মন শান্ত হয় না এবং “আলহামদুলিল্লাহ” বলার আগেই মনে নতুন কোনো চাহিদার উদয় হয়।

কুরআনের সূরা আত-তাকাসুরের ১-২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফিল করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছেছ।” আধুনিক জীবনের চিত্রটি যেন এই আয়াতেরই প্রতিচ্ছবি। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ফোন, কাজ, মেসেজ, বাজার-সদাই, রান্না, ডেডলাইন, সন্তানের পড়াশোনা, বিল বা কেনাকাটার ভিড়ে দিন শেষ হয়ে যায়। হয়তো আপনি বড় কোনো পাপে লিপ্ত নন, কিন্তু যোহরের সালাত “কাজটা শেষ করে পড়ব” বলতে বলতে পিছিয়ে যাচ্ছে। মা ফোন করলে ভাবছেন একটু পরে কল করবেন, কিন্তু আর হয়ে ওঠে না।

এভাবে খুব সূক্ষ্মভাবে আমাদের জীবনে দূরত্ব তৈরি হয়। সন্তান পাশে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে চাইলে আপনি হয়তো যান্ত্রিকভাবে “হুম, বলো” বলে দায় সারছেন, কিন্তু আপনার মনোযোগ স্ক্রিনের দিকে। কুরআন পড়া বা আল্লাহর স্মরণের জন্য যে সময় বরাদ্দ থাকার কথা ছিল, তা হয়তো মাসের পর মাস পড়ে আছে এক কোণে। মানুষ সাধারণত একদিনে আল্লাহকে ভুলে যায় না; বরং ছোট ছোট বিলম্বিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই সে অগোচরে সরে পড়ে। “আজ ক্লান্ত”, “এই প্রজেক্ট শেষ হোক”, “সময় পেলে কুরআন পড়ব”—এমন অজুহাতে সময় অতিবাহিত হতে থাকে। অথচ দুনিয়ার কাজ কখনো শেষ হয় না, একটি শেষ হলে আরেকটি অপেক্ষায় থাকে।

আল্লাহ সূরা আল-মুনাফিকুনের ৯ নম্বর আয়াতে সতর্ক করেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল করে না দেয়।” এখানে সম্পদ বা সন্তানকে মন্দ বলা হয়নি, কারণ এগুলো আল্লাহর নিয়ামত। বরং সতর্ক করা হয়েছে সেই পরিণতির ব্যাপারে, যখন নিয়ামতই নিয়ামতদাতাকে ভুলিয়ে দেয়। ইসলাম দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা দেয় না। সূরা আল-কাসাসের ৭৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।” অর্থাৎ বৈধ পথে আয়-রোজগার, পরিবার পরিচালনা ও জীবনযাপন করতে কোনো বাধা নেই, তবে মনে রাখতে হবে এসব যেন জীবনের মূল লক্ষ্য বা আল্লাহর সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে পড়ে।

একটি কঠিন প্রশ্ন নিজেকে করা জরুরি: আমরা কি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাওয়ার চেয়ে অন্য কিছু হারানোর ভয়ে বেশি আতঙ্কিত? চাকরি, টাকা, ব্যবসা কিংবা সামাজিক অবস্থানের চেয়ে আখিরাতের প্রস্তুতি কতটা আমাদের ভাবনায় থাকে? রাসূলুল্লাহ ﷺ দুনিয়া ও আখিরাতের তুলনা বোঝাতে বলেছেন, আখিরাতের তুলনায় এই দুনিয়া সমুদ্রের পানিতে আঙুল ডুবিয়ে তুলে দেখার মতো—আঙুলের ডগায় যতটুকু পানি লেগে থাকে, দুনিয়া ঠিক ততটুকুই (সহিহ মুসলিম, ২৮৫৮)। অথচ আমরা জীবনের বড় অংশই সেই কয়েক ফোঁটা পানি বা দুনিয়াবী প্রাপ্তির পেছনে ব্যয় করে ফেলি।

আল্লাহ সূরা আল-হাদীদের ২০ নম্বর আয়াতে দুনিয়ার জীবনকে খেলাধুলা, বিনোদন, সাজসজ্জা এবং পারস্পরিক গর্বের প্রতিযোগিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর মানে জীবন বা আনন্দ বর্জন নয়, বরং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। টাকা সদকাহ, পরিবারের দায়িত্ব পালন, হালাল আয়, সন্তানের প্রতি মনোযোগ ও ঘরে সালাত-কুরআনের পরিবেশ বজায় রাখা—এসবই দুনিয়াকে আখিরাতের পাথেয় হিসেবে ব্যবহারের উপায়।

আজ শান্ত হয়ে নিজের জীবনের দিকে তাকান। সালাত কি ব্যস্ততার চাপে নিয়মিত সময়ের সাথে লড়াই করছে? কুরআন কি কেবল ফাঁকা সময় পেলেই খোলা হয়? সন্তানের সাথে সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে কি আপনি সময় দিচ্ছেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সত্য হওয়া জরুরি। মনে রাখবেন, একদিন সব কাজ থেমে যাবে, মোবাইল ফোন আর বাজবে না এবং আপনার বর্তমান লক্ষ্যগুলো অন্য কারও হাতে চলে যাবে। তখন দুনিয়ার দৌড়ঝাঁপ অর্থহীন হয়ে পড়বে, কেবল আল্লাহর জন্য করা কাজগুলোই স্থায়ী হবে। তাই দুনিয়াকে তার জায়গায় রেখে রবের জন্য সময় বরাদ্দ রাখা একান্ত প্রয়োজন। আল্লাহ এমন হৃদয় দান করুন যা নিয়ামত পেয়ে তাঁকে ভুলে যায় না, বরং আরও বেশি তাঁর দিকে ফিরে আসে। আমীন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটা সবসময় আপনাকে কোনো বড় গুনাহ দিয়ে আল্লাহ থেকে দূরে সরায় না। চাকরির আরও তথ্য: চাকরি হলো, তারপর মনে হলো বেতনটা আরেকটু বাড়লে ভালো হতো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আল্লাহ বলেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফিল করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছেছ।” — সূরা আত-তাকাসুর, ১০২:১–২। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কয়েকদিন ধরে কুরআনটা যেখানে রেখে দিয়েছিলেন, সেখানেই পড়ে আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিছুই নাটকীয়ভাবে নষ্ট হয়নি, তবু কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল না করে।” — সূরা আল-মুনাফিকুন, ৬৩:৯। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আল্লাহ বলেন, “আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।” — সূরা আল-কাসাস, ২৮:৭৭।