নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার, নতুন যুগে ব্রাজিল

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নেইমার। কিন্তু শেষ বিশ্বকাপের পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ায় তৈরি হয় এক শূন্যতা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সির উত্তরাধিকারী কে হবেন। অবশেষে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) সেই রহস্যের সমাধান করেছে। আন্তর্জাতিক বিরতির আসন্ন ম্যাচগুলোর জন্য দল ঘোষণার সময় সিবিএফ জানিয়েছে, এখন থেকে ১০ নম্বর জার্সিটি পরবেন বার্সেলোনার ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। রাফিনিয়া এবারের মৌসুমে বার্সার জার্সিতে ৮ ম্যাচে ১৪ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ৩টি গোল করিয়েছেন, যা তাকে এই জার্সির জন্য যোগ্য দাবিদার করে তুলেছে।

জার্সি নম্বরের অদলবদল হয়েছে আরও কয়েকজনের। সর্বশেষ বিশ্বকাপে ১১ নম্বর জার্সি পরা রাফিনিয়া এবার ১০ নম্বর পাওয়ায়, ১১ নম্বর জার্সিটি উঠেছে তরুণ তুর্কি এস্তেভাওয়ের গায়ে। এর আগে জাতীয় দলে তিনি ২০ নম্বর জার্সি পরতেন। এছাড়া দলের অন্য তরুণ এনদ্রিক, যিনি সর্বশেষ বিশ্বকাপে ১৯ নম্বর জার্সি পরে খেলেছিলেন, তিনি মাতেউস কুনিয়ার অনুপস্থিতিতে পাচ্ছেন ৯ নম্বর জার্সি। রক্ষণের দিক থেকে মারকিনিওস ৪ নম্বর জার্সি পরবেন। এছাড়া গিমারাইস ৮ নম্বর, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ৭ নম্বর, দানিলো সান্তোস ৫ নম্বর এবং দগলাস সান্তোস ৬ নম্বর জার্সি বেছে নিয়েছেন।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আক্রমণভাগের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন। ২০৩০ বিশ্বকাপ সামনে রেখে সাজানো এই একাদশে থাকছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনদ্রিক, এস্তেভাও এবং নতুন জার্সিধারী রাফিনিয়া। কোচ জানিয়েছে, এই ম্যাচে অভিষেক হতে যাচ্ছে রাইটব্যাক ম্যাথেউজিনিও এবং সেন্টারব্যাক ভিতর রেইসের। ওয়েসলির জায়গায় রক্ষণভাগের দায়িত্ব সামলাবেন ম্যাথেউজিনিও। আনচেলত্তির অধীনে এটি এনদ্রিকের প্রথম একাদশে শুরু করার সুযোগ। ২০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড এর আগে ১০টি ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন, তবে এবার মূল একাদশে নিজের প্রমাণ দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর আজই প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামছে ব্রাজিল। কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিল কান্ট্রি ব্যাংক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রিসবেনের ব্যালিমোর স্টেডিয়ামে আনচেলত্তি যে কৌশল ও ফর্মেশন নিয়ে কাজ করেছেন, তা আজকের ম্যাচে দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী মঙ্গলবার ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর আগামী ৩ অক্টোবর ভারত সফর করবে দলটি, যেখানে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। রাফিনিয়া ও তার সতীর্থরা এই নতুন যাত্রায় নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপরই প্রশ্ন উঠেছিল, নতুন বিশ্বকাপচক্রে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি উঠবে কার গায়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর চেলসি উইঙ্গার এস্তেভাও চোট থেকে সেরে উঠেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লেফট উইং থেকে সরে গিয়ে বার্সার আক্রমণভাগের প্রধান খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গোল করার পাশাপাশি আক্রমণ তৈরিতেও রাখছেন বড় ভূমিকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১০ নম্বর জার্সিতে ব্রাজিল ঠিক এমন কাউকেই দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ, ঐতিহ্যবাহী এ জার্সির খেলোয়াড়দের কাজই হলো খেলা তৈরি করা, গোল করা ও করানো।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার, নতুন যুগে ব্রাজিল

আপলোডের সময় : 11:18:11 am, Friday, 25 September 2026

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নেইমার। কিন্তু শেষ বিশ্বকাপের পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ায় তৈরি হয় এক শূন্যতা। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সির উত্তরাধিকারী কে হবেন। অবশেষে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) সেই রহস্যের সমাধান করেছে। আন্তর্জাতিক বিরতির আসন্ন ম্যাচগুলোর জন্য দল ঘোষণার সময় সিবিএফ জানিয়েছে, এখন থেকে ১০ নম্বর জার্সিটি পরবেন বার্সেলোনার ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। রাফিনিয়া এবারের মৌসুমে বার্সার জার্সিতে ৮ ম্যাচে ১৪ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ৩টি গোল করিয়েছেন, যা তাকে এই জার্সির জন্য যোগ্য দাবিদার করে তুলেছে।

জার্সি নম্বরের অদলবদল হয়েছে আরও কয়েকজনের। সর্বশেষ বিশ্বকাপে ১১ নম্বর জার্সি পরা রাফিনিয়া এবার ১০ নম্বর পাওয়ায়, ১১ নম্বর জার্সিটি উঠেছে তরুণ তুর্কি এস্তেভাওয়ের গায়ে। এর আগে জাতীয় দলে তিনি ২০ নম্বর জার্সি পরতেন। এছাড়া দলের অন্য তরুণ এনদ্রিক, যিনি সর্বশেষ বিশ্বকাপে ১৯ নম্বর জার্সি পরে খেলেছিলেন, তিনি মাতেউস কুনিয়ার অনুপস্থিতিতে পাচ্ছেন ৯ নম্বর জার্সি। রক্ষণের দিক থেকে মারকিনিওস ৪ নম্বর জার্সি পরবেন। এছাড়া গিমারাইস ৮ নম্বর, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ৭ নম্বর, দানিলো সান্তোস ৫ নম্বর এবং দগলাস সান্তোস ৬ নম্বর জার্সি বেছে নিয়েছেন।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আক্রমণভাগের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন। ২০৩০ বিশ্বকাপ সামনে রেখে সাজানো এই একাদশে থাকছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, এনদ্রিক, এস্তেভাও এবং নতুন জার্সিধারী রাফিনিয়া। কোচ জানিয়েছে, এই ম্যাচে অভিষেক হতে যাচ্ছে রাইটব্যাক ম্যাথেউজিনিও এবং সেন্টারব্যাক ভিতর রেইসের। ওয়েসলির জায়গায় রক্ষণভাগের দায়িত্ব সামলাবেন ম্যাথেউজিনিও। আনচেলত্তির অধীনে এটি এনদ্রিকের প্রথম একাদশে শুরু করার সুযোগ। ২০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড এর আগে ১০টি ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন, তবে এবার মূল একাদশে নিজের প্রমাণ দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর আজই প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামছে ব্রাজিল। কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিল কান্ট্রি ব্যাংক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রিসবেনের ব্যালিমোর স্টেডিয়ামে আনচেলত্তি যে কৌশল ও ফর্মেশন নিয়ে কাজ করেছেন, তা আজকের ম্যাচে দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগামী মঙ্গলবার ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর আগামী ৩ অক্টোবর ভারত সফর করবে দলটি, যেখানে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। রাফিনিয়া ও তার সতীর্থরা এই নতুন যাত্রায় নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপরই প্রশ্ন উঠেছিল, নতুন বিশ্বকাপচক্রে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি উঠবে কার গায়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর চেলসি উইঙ্গার এস্তেভাও চোট থেকে সেরে উঠেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লেফট উইং থেকে সরে গিয়ে বার্সার আক্রমণভাগের প্রধান খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গোল করার পাশাপাশি আক্রমণ তৈরিতেও রাখছেন বড় ভূমিকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১০ নম্বর জার্সিতে ব্রাজিল ঠিক এমন কাউকেই দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারণ, ঐতিহ্যবাহী এ জার্সির খেলোয়াড়দের কাজই হলো খেলা তৈরি করা, গোল করা ও করানো।