সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে তুরস্কের সরাসরি ফ্লাইটের আহ্বান

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের চাহিদা অনেক বেশি। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে এই অঞ্চলের যাত্রীদের আন্তর্জাতিক কানেক্টিং ফ্লাইটের জন্য ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমবে, যা তাদের ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করবে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিমান চলাচল বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমানে একটি তুরস্কভিত্তিক এয়ারলাইনস ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এই রুটে আরও তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ আরও প্রসারিত হবে।

সিলেট ও চট্টগ্রামের বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও গুরুত্বের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য যে, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রায় আট বছর বিরতির পর সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে একটি ওমানভিত্তিক এয়ারলাইনস সিলেট-মাসকাট রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় দেশে মোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী এই প্রকল্পগুলোতে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং তুরস্কের পর্যটন খাতের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য তুরস্কের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন, দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ট এবং তুরস্কের একটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইসলাম গুরে উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে তুরস্কের সরাসরি ফ্লাইটের আহ্বান

আপলোডের সময় : 10:59:47 am, Friday, 2 October 2026

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের চাহিদা অনেক বেশি। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে এই অঞ্চলের যাত্রীদের আন্তর্জাতিক কানেক্টিং ফ্লাইটের জন্য ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমবে, যা তাদের ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করবে।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিমান চলাচল বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমানে একটি তুরস্কভিত্তিক এয়ারলাইনস ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এই রুটে আরও তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ আরও প্রসারিত হবে।

সিলেট ও চট্টগ্রামের বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও গুরুত্বের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য যে, গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রায় আট বছর বিরতির পর সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে একটি ওমানভিত্তিক এয়ারলাইনস সিলেট-মাসকাট রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় দেশে মোট ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটনকেন্দ্র উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী এই প্রকল্পগুলোতে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং তুরস্কের পর্যটন খাতের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য তুরস্কের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন, দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ট এবং তুরস্কের একটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইসলাম গুরে উপস্থিত ছিলেন।