নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার লক্ষ্যে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ এর উদ্বোধন করার লক্ষ্য রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, এই উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময় চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও সুবিধাজনক সময় পাওয়ার পরেই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই উপস্থিত থেকে বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করবেন। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধনের জন্য তাঁর সময় পাওয়া যাবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতির বিষয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নিয়েছিলেন মন্ত্রী। সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিমান সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের সময়সূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর পরবর্তী সময়সূচি অনুযায়ী উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে কোন কোন বিমান সংস্থা আগ্রহী, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে সভায় জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিমান সংস্থার স্থানীয় প্রধানদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে গন্তব্য নির্ধারণের কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সব পক্ষের মতামত ও আগ্রহকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রতিদিন কতটি ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে বা প্রথম পর্যায়ে কোন কোন দেশে সংযোগ স্থাপিত হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্যের জন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

পর্যটন শিল্পের প্রসারে কক্সবাজারের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সরাসরি আকাশপথে বিদেশিদের যাতায়াত সহজতর হলে এই অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতি বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ পাবে। তবে সব ধরনের প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে সবাইকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর

আপলোডের সময় : 10:05:46 am, Tuesday, 13 October 2026

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার লক্ষ্যে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ এর উদ্বোধন করার লক্ষ্য রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, এই উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময় চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও সুবিধাজনক সময় পাওয়ার পরেই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই উপস্থিত থেকে বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করবেন। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধনের জন্য তাঁর সময় পাওয়া যাবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতির বিষয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নিয়েছিলেন মন্ত্রী। সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিমান সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের সময়সূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর পরবর্তী সময়সূচি অনুযায়ী উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে কোন কোন বিমান সংস্থা আগ্রহী, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে সভায় জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বিমান সংস্থার স্থানীয় প্রধানদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে গন্তব্য নির্ধারণের কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সব পক্ষের মতামত ও আগ্রহকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রতিদিন কতটি ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে বা প্রথম পর্যায়ে কোন কোন দেশে সংযোগ স্থাপিত হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্যের জন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

পর্যটন শিল্পের প্রসারে কক্সবাজারের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সরাসরি আকাশপথে বিদেশিদের যাতায়াত সহজতর হলে এই অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতি বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ পাবে। তবে সব ধরনের প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে সবাইকে।