
ঝিনাইদহ সদরের পাগলাকানাই এলাকায় এক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীর ওপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই নারীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। নির্যাতনের সময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়াও ছিটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, ওইদিন বিকেলে আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আন্না খাতুন, তার ছেলে শুভ, বোন ওনি ও কনি এবং একজন প্রতিবেশী ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা তাকে বেধড়ক মারধর করেন। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার শিকার নারী বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি জানিয়েছেন, কালীগঞ্জ ভূমি অফিসের কর্মচারী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। মামলায় মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় একই পরিবারের চারজন সদস্য ও একজন প্রতিবেশীসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। তিনি জানান, চুল কাটা ও মারধরের ঘটনায় জড়িত ৫ জন পলাতক রয়েছে। স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সদরের করাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও কালীগঞ্জ ভূমি অফিসের এক কর্মচারী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে পাগলা কানাই এলাকার এক নারীর পরকীয়া প্রেমের অভিযোগ ওঠে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান।
ঝিনাইদহ সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে।
প্রতিনিধির নাম 

























