অবৈধ খরছি জালে মেঘনা দখল ,জীবিকা সংকটে সাধারণ জেলেরা

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীতে জেগে ওঠা নতুন চর গুলোর চারপাশে খুঁটি পুঁতে মাছ ধরছেন প্রভাবশালী জেলেরা।
মেঘনা নদীর প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে অবৈধ খরছি জালে মাছ ধরছে প্রভাবশালী একটি পক্ষ। এতে স্থানীয় তিন থেকে চার হাজার সাধারণ জেলে মাছ ধরতে মেঘনায় নামতে পারছেননা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, মাছ ধরতে নদীতে জাল পেলতেই পুতে রাখা খরছি জালের খুটিতে লেগে সকল জাল ছিড়ে নিঃস্ব হয়ে পরিবারের খরচ যোগাতে সাধারণ জেলেরা পরেছেন চরম জীবিকা সংকটে । এ নিয়ে সাধারণ জেলেদের মাঝে তীব্র খোব বিরাজ করছে,যে কোন সময় সহায় সম্ভলহীন সাধারণ জেলেদের খরছি জাল মালিকদের সাথে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। তারা এ খরছি জালের মালিকদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু সাধারণ জেলে বলছেন, উপজেলার দায়িত্বশীল কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তির ছত্রছায়ায় এই প্রভাবশালী জেলেরা নদীর জলসীমানার চারপাশে খুঁটি পুঁতে মাছ ধরছে। এ খুঁটির বেড়ার চারপাশে জাল বাঁধা থাকে। জোয়ারে নদী টইটম্বুর হলে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা জাল ওপরে তুলে বেঁধে দেওয়া হয়। ভাটায় পানি কমলে বেড়ার মধ্যখানে জাল টেনে মাছের রেণু-পোনাসহ সব ধরা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় মাছ শিকার সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ ব্যপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, মেঘনায় খরছি জাল বন্ধে অভিযান পরিচালিত হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

অবৈধ খরছি জালে মেঘনা দখল ,জীবিকা সংকটে সাধারণ জেলেরা

আপলোডের সময় : 08:15:20 pm, Thursday, 7 November 2024

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীতে জেগে ওঠা নতুন চর গুলোর চারপাশে খুঁটি পুঁতে মাছ ধরছেন প্রভাবশালী জেলেরা।
মেঘনা নদীর প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে অবৈধ খরছি জালে মাছ ধরছে প্রভাবশালী একটি পক্ষ। এতে স্থানীয় তিন থেকে চার হাজার সাধারণ জেলে মাছ ধরতে মেঘনায় নামতে পারছেননা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, মাছ ধরতে নদীতে জাল পেলতেই পুতে রাখা খরছি জালের খুটিতে লেগে সকল জাল ছিড়ে নিঃস্ব হয়ে পরিবারের খরচ যোগাতে সাধারণ জেলেরা পরেছেন চরম জীবিকা সংকটে । এ নিয়ে সাধারণ জেলেদের মাঝে তীব্র খোব বিরাজ করছে,যে কোন সময় সহায় সম্ভলহীন সাধারণ জেলেদের খরছি জাল মালিকদের সাথে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। তারা এ খরছি জালের মালিকদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু সাধারণ জেলে বলছেন, উপজেলার দায়িত্বশীল কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তির ছত্রছায়ায় এই প্রভাবশালী জেলেরা নদীর জলসীমানার চারপাশে খুঁটি পুঁতে মাছ ধরছে। এ খুঁটির বেড়ার চারপাশে জাল বাঁধা থাকে। জোয়ারে নদী টইটম্বুর হলে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা জাল ওপরে তুলে বেঁধে দেওয়া হয়। ভাটায় পানি কমলে বেড়ার মধ্যখানে জাল টেনে মাছের রেণু-পোনাসহ সব ধরা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় মাছ শিকার সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ ব্যপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, মেঘনায় খরছি জাল বন্ধে অভিযান পরিচালিত হবে।