সামাজিক যোগাযোগর মাধ্যমে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কুটক্তি করছে বাঁশজানির এক তরুণ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশজানি এলাকায় এক তরুণ মোঃ জোবায়ের হোসেন (২৬) সে বীরগঞ্জ কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। ম‌ইদাম মহাবিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব এ কলেজের কর্মরত। তার বাবা জিল্লুর রহমান ঐ একই কলেজের দপ্তরির কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তার বাসা একদম বর্ডারে কাছাকাছি হওয়ায় ঘটনাস্থলের পরিবেশ ঠান্ডা রাখতে বিজিপি মোতায়ন হয়, পরবর্তীতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার অফিসার্স ইনচার্জ জিল্লুর রহমান এসে বিষয়টা খতিয়ে দেখেন তাদের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তাকে পেলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে এবং সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এলাকাবাসী জানাই যে, তার বাবা মা তাকে অনেক ভালো করার চেষ্টা করে কিন্তু, ভালো হয়নি। সে বিভিন্ন বকাটে ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে।

 

এলাকাবাসীর সাথে অন্যায় আচরণসহ নেশাদ্রব্য পান করে থাকে। সেই প্রভাবশালী থাকায় অনেক মানুষের সাথে খারাপ আচরণসহ বিভিন্ন অপকর্ম কাজে লিপ্ত আছে বলে জানান সাধারণ জনগণ।

 

আজ রবিবার ১৩ অক্টোবর বিকেল বেলা তার ফেসবুক আইডি থেকে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর নামে কটুক্তি কথাবার্তা বলে এবং পরবর্তীতে অনলাইনে এসে ক্ষমাপ্রার্থী হয়।

এগুলো কথাবার্তা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত নোংরা কথা। তাই স্থানীয় ওলামায়ে কেরামগণ ও ইউনিয়ন, উপজেলা সদরে ইসলামী আন্দোলনের সদস্য তার বাড়িতে ঘেরাও করা হয় তাকে খুঁজে বের করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করে।

 

প্রথমত তাকে ধরার জন্য তার বাড়ি ঘেরাও করে তাওহীদি জনতা ও আলেমগন, পরে প্রশাসন কৌশলে  তাকে থানার আয়েত্তে নেয়।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমান ঘটনার সততা নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে রাতেই কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম ফেরদৌস কটূক্তি কারী যুবকের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দেন স্থানীয় জনতাকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

সামাজিক যোগাযোগর মাধ্যমে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কুটক্তি করছে বাঁশজানির এক তরুণ

আপলোডের সময় : 07:55:19 am, Monday, 14 October 2024

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশজানি এলাকায় এক তরুণ মোঃ জোবায়ের হোসেন (২৬) সে বীরগঞ্জ কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। ম‌ইদাম মহাবিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব এ কলেজের কর্মরত। তার বাবা জিল্লুর রহমান ঐ একই কলেজের দপ্তরির কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তার বাসা একদম বর্ডারে কাছাকাছি হওয়ায় ঘটনাস্থলের পরিবেশ ঠান্ডা রাখতে বিজিপি মোতায়ন হয়, পরবর্তীতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার অফিসার্স ইনচার্জ জিল্লুর রহমান এসে বিষয়টা খতিয়ে দেখেন তাদের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তাকে পেলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে এবং সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এলাকাবাসী জানাই যে, তার বাবা মা তাকে অনেক ভালো করার চেষ্টা করে কিন্তু, ভালো হয়নি। সে বিভিন্ন বকাটে ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে।

 

এলাকাবাসীর সাথে অন্যায় আচরণসহ নেশাদ্রব্য পান করে থাকে। সেই প্রভাবশালী থাকায় অনেক মানুষের সাথে খারাপ আচরণসহ বিভিন্ন অপকর্ম কাজে লিপ্ত আছে বলে জানান সাধারণ জনগণ।

 

আজ রবিবার ১৩ অক্টোবর বিকেল বেলা তার ফেসবুক আইডি থেকে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর নামে কটুক্তি কথাবার্তা বলে এবং পরবর্তীতে অনলাইনে এসে ক্ষমাপ্রার্থী হয়।

এগুলো কথাবার্তা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত নোংরা কথা। তাই স্থানীয় ওলামায়ে কেরামগণ ও ইউনিয়ন, উপজেলা সদরে ইসলামী আন্দোলনের সদস্য তার বাড়িতে ঘেরাও করা হয় তাকে খুঁজে বের করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করে।

 

প্রথমত তাকে ধরার জন্য তার বাড়ি ঘেরাও করে তাওহীদি জনতা ও আলেমগন, পরে প্রশাসন কৌশলে  তাকে থানার আয়েত্তে নেয়।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমান ঘটনার সততা নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে রাতেই কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম ফেরদৌস কটূক্তি কারী যুবকের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দেন স্থানীয় জনতাকে।