সবুজবাগে তরুণী নিখোঁজ ও উদ্ধার ঘটনায় আদালতে দুই আসামির জবানবন্দি

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী নামের এক তরুণীর খণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নুসরাত জাহান সাহিদাসহ দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার এসআই নূরে আলম সিদ্দিকী ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ঘটনার দিন সাহিদা তার বান্ধবী ফালানীকে নিজের স্বামী রাব্বির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলেন। এই ক্ষোভ থেকেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশ জানায়, হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে সাহিদার সহযোগী শাওন নিহতের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। বর্তমানে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত ৬ আগস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ির একটি গরুর খামারসংলগ্ন সেতুর নিচ থেকে পুলিশ ফালানীর খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের বাবা-মা ছবি দেখে দেহাংশগুলো ১৯ বছর বয়সী ফালানীর বলে শনাক্ত করেন। নিহত ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। এই ঘটনায় ওই দিনই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদাসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া স্বীকারোক্তি প্রদানকারী অপর আসামি কবিরকে গত মঙ্গলবার খিলগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্তে উঠে এসেছে, সাহিদার স্বামী রাব্বির সঙ্গে ফালানীর সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের মধ্যে ফালানীর বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদা ও তার ‘পাতানো ভাই’ কবির হোসেন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হলে তা রেকর্ড করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে অপর চার আসামিকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারাগারে যাওয়া বাকি চার আসামি হলেন ফারুক ওরফে জামাই ফারুক, সুজন, মামুন, রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি ও রকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর ছুরি দিয়ে আঘাত করে ফালানীকে হত্যা করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সবুজবাগে তরুণী নিখোঁজ ও উদ্ধার ঘটনায় আদালতে দুই আসামির জবানবন্দি

আপলোডের সময় : 09:31:07 am, Thursday, 27 August 2026

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী নামের এক তরুণীর খণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নুসরাত জাহান সাহিদাসহ দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার এসআই নূরে আলম সিদ্দিকী ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ঘটনার দিন সাহিদা তার বান্ধবী ফালানীকে নিজের স্বামী রাব্বির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলেন। এই ক্ষোভ থেকেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশ জানায়, হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে সাহিদার সহযোগী শাওন নিহতের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। বর্তমানে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত ৬ আগস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ির একটি গরুর খামারসংলগ্ন সেতুর নিচ থেকে পুলিশ ফালানীর খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের বাবা-মা ছবি দেখে দেহাংশগুলো ১৯ বছর বয়সী ফালানীর বলে শনাক্ত করেন। নিহত ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। এই ঘটনায় ওই দিনই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদাসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া স্বীকারোক্তি প্রদানকারী অপর আসামি কবিরকে গত মঙ্গলবার খিলগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তদন্তে উঠে এসেছে, সাহিদার স্বামী রাব্বির সঙ্গে ফালানীর সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের মধ্যে ফালানীর বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদা ও তার ‘পাতানো ভাই’ কবির হোসেন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হলে তা রেকর্ড করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে অপর চার আসামিকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কারাগারে যাওয়া বাকি চার আসামি হলেন ফারুক ওরফে জামাই ফারুক, সুজন, মামুন, রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি ও রকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর ছুরি দিয়ে আঘাত করে ফালানীকে হত্যা করা হয়।