তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে ড.

জাতীয় সংসদের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এই নতুন দায়িত্বের ফলে তথ্য, গণমাধ্যম ও সম্প্রচার খাতের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া এবং সংসদীয় নজরদারিতে তার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলো। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এই কমিটি গঠন করা হয়। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে চলা ওই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম কমিটি গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন, যা পরে সংসদে গৃহীত হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কেবল একটি সংসদীয় কাঠামো নয়, বরং এই খাতের কার্যক্রম পর্যালোচনা, মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদানের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি মাধ্যম। সংসদ সদস্য হিসেবে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এখন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা, সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার মতো জাতীয় ইস্যুতে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।

জাতীয় পর্যায়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর পটুয়াখালী-২ আসনের জনগণের প্রত্যাশা বেড়েছে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের ওপর। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সংসদীয় কমিটিতে এই অংশগ্রহণের সুবাদে বাউফলের নদীভাঙন রোধ, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন সংকট নিরসনে তিনি জাতীয় পর্যায়ে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন। ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, কর্মপরিষদ ও মজলিসে শুরার সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। সংসদীয় কমিটিতে তার যুক্ত হওয়াকে তথ্য খাতের আধুনিকায়নের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় পর্যায়ে নতুন এই দায়িত্বের পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে তার প্রতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে ড.

আপলোডের সময় : 11:20:48 am, Wednesday, 16 September 2026

জাতীয় সংসদের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এই নতুন দায়িত্বের ফলে তথ্য, গণমাধ্যম ও সম্প্রচার খাতের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া এবং সংসদীয় নজরদারিতে তার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলো। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এই কমিটি গঠন করা হয়। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে চলা ওই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম কমিটি গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন, যা পরে সংসদে গৃহীত হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কেবল একটি সংসদীয় কাঠামো নয়, বরং এই খাতের কার্যক্রম পর্যালোচনা, মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদানের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি মাধ্যম। সংসদ সদস্য হিসেবে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এখন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা, সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চার মতো জাতীয় ইস্যুতে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।

জাতীয় পর্যায়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর পটুয়াখালী-২ আসনের জনগণের প্রত্যাশা বেড়েছে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের ওপর। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সংসদীয় কমিটিতে এই অংশগ্রহণের সুবাদে বাউফলের নদীভাঙন রোধ, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন সংকট নিরসনে তিনি জাতীয় পর্যায়ে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন। ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, কর্মপরিষদ ও মজলিসে শুরার সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। সংসদীয় কমিটিতে তার যুক্ত হওয়াকে তথ্য খাতের আধুনিকায়নের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় পর্যায়ে নতুন এই দায়িত্বের পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে তার প্রতি।