
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কে এম রেজাউল ফিরোজ রিন্টু। ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) আইনমন্ত্রী বরাবর নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে বেলায়েত হোসেনও একই পদে কর্মরত থাকাকালীন পদত্যাগ করেন।
আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই দিনে পাঁচজন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছিলেন। পরবর্তীতে ৯ সেপ্টেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাদিয়া আফরিন শাপলা তার পদ থেকে অব্যাহতি নেন।
চলতি বছরের জুন মাসেও বড় ধরনের পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছিল। তখন সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জামায়াত সমর্থিত সাতজন ডিএজি এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) একযোগে পদত্যাগ করেছিলেন। তৎকালীন পদত্যাগকারী কর্মকর্তাদের একজন, তারিকুল ইসলাম, সেই সময় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে না পারা, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা ওই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার দু’দিন আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একযোগে পদত্যাগ করেন ৫ আইন কর্মকর্তা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা হলেন- অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সুলতানা আক্তার রুবি, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) রোহানী সিদ্দিকা ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল প্রোজ্জ্বল চাকমা।
প্রতিনিধির নাম 

























