
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল ভবন থেকে যাত্রীসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে নতুন এই টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইনস অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। বেসরকারি এয়ারলাইন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করার মাধ্যমে নতুন ভবনের এই কার্যক্রমের সূচনা হয়।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক গোলাম মোর্তোজা হোসেন জানান, নতুন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও এয়ারলাইনসকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং এয়ার অ্যাস্ট্রাকে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ভবন ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইউএস-বাংলার কক্সবাজার স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মুসা আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমেই নতুন টার্মিনালের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল।
নতুন এই টার্মিনাল ভবনে মোট ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রী ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রাকে যৌথভাবে কাউন্টার ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তবে প্রয়োজনে এয়ারলাইনগুলো আলাদাভাবে কাউন্টার ব্যবহারের সুযোগও পাবে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গত বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক নতুন টার্মিনাল চালুর সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি জানিয়েছিলেন যে, অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইনগুলো নতুন টার্মিনালে তাদের যাত্রীসেবা কার্যক্রম স্থানান্তরের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে নতুন এই টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটক ও বিমানযাত্রীর ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে এই নতুন টার্মিনাল ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। বেবিচক চেয়ারম্যানের তথ্য অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর পরবর্তী ধাপ হিসেবে আগামী মাসে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম উদ্বোধনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এই নতুন টার্মিনাল কক্সবাজারের আকাশপথের যোগাযোগ ও পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিনিধির নাম 

























