
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় শুক্রবার ২ অক্টোবর দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য প্রতিরোধে পরিচালিত এই তিনটি পৃথক অভিযানে প্রায় ৭৮১ দশমিক ৩ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার, ১০টি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ এবং তিন কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। শনিবার ৩ অক্টোবর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এপিবিএন এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে। অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা চক্রের বিষয়ে আরও তথ্য জানতে তদন্তও করা হবে। সর্বশেষ পৃথক তিন অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ এবং সাতজনকে আটকের ঘটনায় বিমানবন্দর এলাকায় নজরদারি আরও জোরদারের বিষয়টি সামনে এসেছে।
অভিযানে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন তোফাজ্জল হোসেন (৩৭), জসিম উদ্দিন (৩৯), আরাফাত হোসাইন (২৮), আরিফ (৪২), মো. আলামিন গাজী (৩৭), রূপবান বেগম (৩৯) এবং এম. এ. মতিন (৩০)। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এসব পণ্য উদ্ধারের পর এর বৈধ উৎস এবং বিমানবন্দর এলাকায় কীভাবে তা আনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার (অপারেশনস) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চোরাচালান দমনে এপিবিএন ধারাবাহিকভাবে তৎপর রয়েছে। জব্দ করা পণ্যের বৈধতা যাচাই ও এর পেছনে কোনো চক্র জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। বিমানবন্দর দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হওয়ায় সেখানে যেকোনো ধরনের অবৈধ সামগ্রীর প্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিনিধির নাম 
























