
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবার বাস্তব চিত্র সরেজমিনে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরে প্রবেশ করে বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সরাসরি রানওয়ে থেকে আসা লাগেজ বেল্ট এলাকায় চলে যান এবং সেখানে বিমান থেকে নামার পর ব্যাগপত্রের জন্য অপেক্ষারত সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। যাত্রীরা বিমানবন্দরে নামার পর ঠিক কত সময়ের মধ্যে তাদের লাগেজ হাতে পাচ্ছেন, মালামাল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ভোগান্তি বা দীর্ঘসূত্রতা হচ্ছে কি না এবং সামগ্রিকভাবে সেবার মান কেমন—সেসব বিষয়ে যাত্রীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার খোঁজ নেন তিনি। এ সময় যাত্রীরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান যে, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লাগেজ হাতে পাচ্ছেন এবং বর্তমান ব্যাগেজ ডেলিভারি প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর মন্ত্রী বিমানবন্দরে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের যাত্রীসেবার এই মান আরও উন্নত করার তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরের পুরো কার্যক্রমে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি অর্জনকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। কোনো যাত্রী যেন বিমানবন্দরে এসে অপ্রয়োজনীয় কোনো ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তাদের আরও বেশি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
বিশেষ করে ব্যাগেজ ডেলিভারির জন্য অপেক্ষার সময় আরও কমিয়ে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়, যাতে যাত্রীরা দ্রুত ও সহজে লাগেজ নিয়ে টার্মিনাল ত্যাগ করতে পারেন। পাশাপাশি বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের মালামাল বহনে সুবিধার জন্য দ্রুত ট্রলির সংখ্যা বৃদ্ধির নির্দেশনা দেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। পর্যাপ্ত ট্রলির অভাবে কোনো যাত্রীকে যাতে বিপাকে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। পরিদর্শনের সময় বিমানবন্দরের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কাজের খোঁজখবর নেন এবং যাত্রীসেবার বিষয়গুলো সার্বক্ষণিক তদারকি করার তাগিদ দেন।
প্রতিনিধির নাম 
























