
নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অন্যতম বড় সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরের নেতৃত্বে কমিশনের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে দুই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪৩ জন প্রার্থী ২১টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। প্রার্থীদের বেশ কয়েকটি প্রস্তাব ও সুপারিশ গ্রহণ করেছে কমিশন।
বৈঠকে নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে স্যাম্পল ব্যালট প্রদর্শন, পোলিং এজেন্ট নিয়োগ এবং ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের প্রবেশ ও অবস্থানের নিয়মাবলী নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন প্রার্থী একবার প্রবেশ করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় অবস্থান করার সুযোগ পাবেন। ডাবল ভোট বা একই ব্যক্তি একাধিকবার ভোট দেওয়া প্রতিরোধে ভোটার তালিকা ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি বিশেষ পদ্ধতিতে যাচাই ও হাইলাইট করার ব্যবস্থা রাখা হবে। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পোলিং এজেন্ট সংক্রান্ত ব্যবস্থাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। ব্যালট পর্যালোচনা করে প্রার্থীরা বেশ কিছু সংশোধনী ও পরামর্শ দেন। বিশেষ করে কয়েকজন প্রার্থীর নামের বাংলা ও ইংরেজি বানানে অসঙ্গতির বিষয়টি উঠে আসে। ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে কতজন পোলিং এজেন্ট দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কমিশনার রুহুল আমিন সরকার জানান, সভায় সেলিম-আলী পরিষদের সভাপতি প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ আলী এবং কুনু-ফিরোজ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উভয় প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৫ জন করে প্রতিনিধিও সভায় অংশ নেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের বলেন, কেবল কমিশনের একক প্রচেষ্টায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়। এজন্য নির্বাচনের মাঠে থাকা সকল পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ এবং আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য। প্রার্থীরাও এই প্রক্রিয়ায় কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আগামী ২৫ অক্টোবর রোববার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রবাসীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন বদরুল এইচ খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন আজাদ, মো. রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মোহাম্মদ দুলাল মিয়া।
প্রতিনিধির নাম 
























