
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি স্টোর ভবনে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে ভিন্নতর তথ্য দিয়েছেন বিমানবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ভবনটিতে প্রকৃতপক্ষে কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি, বরং সেখানে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে আসে। সময়ের আলোর তথ্যানুযায়ী, ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই বিমানবন্দর এলাকায় সতর্কতামূলক তৎপরতা শুরু হয়েছিল।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর এবং জনবহুল স্থানে অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা সর্বদা বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। প্রতিদিন এখানে বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও কর্মীবাহিনীর আনাগোনা থাকে এবং উড়োজাহাজ পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্গো ব্যবস্থাপনার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চলে। এ ধরনের স্থাপনায় ধোঁয়া বা আগুনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এবারের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত উপস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
তবে ঠিক কী কারণে ওই স্টোর ভবনে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনো অস্পষ্ট। ভবনের কোন অংশে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বা অভ্যন্তরে থাকা কোনো মূল্যবান সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া এই ঘটনায় বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো প্রভাব বা বিঘ্ন ঘটেছিল কি না, তা নিয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির কোনো লক্ষণ নেই বলে জানানো হলেও, ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যার অপেক্ষায় সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিনিধির নাম 
























