1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
উল্লাপাড়ায় আলোচিত পূর্ণিমা রানী শীল ধর্ষণ মামলা, ২৩ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার - Youth Tv news
৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| মঙ্গলবার| রাত ২:৪৮|
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

উল্লাপাড়ায় আলোচিত পূর্ণিমা রানী শীল ধর্ষণ মামলা, ২৩ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

মোঃ লুৎফর রহমান লিটল, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১০৩ বার

 

 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার আলোচিত স্কুল ছাত্রী পূর্নিমা রানী শীল ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামীকে ঘটনার ২৩ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার পূর্বদেলুয়া নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জহুরুল ইসলাম (৪২) ওই গ্রামের জিল্লুর রহমান ওরফে বেলালের ছেলে।

এরআগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার জেরধরে ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামের অনিল চন্দ্র শীলের মেয়ে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী পূর্ণিমা রাণী শীল (১২) গণধর্ষণের শিকার হন। তাকে ধর্ষণের পর একটি কচুক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। ওই সময় তার বাড়িঘর ভাংচুর এবং তার মা, বাবা ও ভাইকেও মারধর করা হয়েছিল। সেই সময় এই ঘটনা দেশব্যাপী আলোচিত হয়েছিল।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি রাকিবুল হাসান জানান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম ঘটনার পরই মালয়েশিয়ায় চলে গিয়েছিল। ৩/৪ মাস আগে সে দেশে ফিরে এসে বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিল। স্বজনদের সাথে দেখা করতে শুক্রবার রাতে সে নিজ বাড়িতে আসে। এরপর গোপন সংবাদ পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, পূর্নিমা রানী শীল ধর্ষণের ঘটনায় ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর ভিকটিমের বাবা অনিল চন্দ্র শীল বাদী হয়ে ১৬জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের পর পুলিশ ১১জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট দাখিল করেন। বাদীপক্ষের সাথে সমঝোতায় আলতাফ হোসেন নামে এক আসামী মামলা থেকে রেহাই পায়। পরবর্তিতে ২০১১ সালের ৪ মে আদালত বাকি ১০ আসামীর সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার রায় দেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে আলতাফ হোসেন, আব্দুল জলিল, লিটন, আব্দুর রউফ, আব্দুল আলিম, হোসেন আলী ও ইয়াছিন আলী নামে ৭জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হন জহুরুল ইসলাম। এরা সবাই বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। বাকি দুইজন বাবলু ও আব্দুল মোমিন এখনো পলাতক রয়েছেন। আসামীরা সবাই উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের পূর্বদেলুয়া গ্রামের বাসিন্দা।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com