নীলফামারীতে আওয়ামী লীগের ৪৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এর অভিযোগে নীলফামারী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামালা আহমেদ, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন মুন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান সহ ৪৪ জন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নীলফামারী সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এতে আরো ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। শুক্রবার রাতে নীলফামারী সদর থানায় ঠিকাদার মোঃ রবিউল আলম সরকার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলা নং- ০৪/২৪, তারিখঃ ০৫/০৯/২০২৪ইং।

উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন, আতিয়ার রহমান, মোঃ মাহাবুল, হোসেন খান মানিক, রাসেল আমিন স্বপন, আপেল, মোঃ সানু, মোঃ মোকছেদ, শান্তনা চক্রবর্তী, জ্যোর্তিময় রায় খোকন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ০৪ আগষ্ট দুপুর ২টার দিকে শহরের ত্রাস সৃষ্টির জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠি, ছোরা ও দেশীয় অস্ত্রসহ শহরের চৌরঙ্গী মোড় হতে ২০০/২৫০ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে আন্দোলনরত বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চড়াও হয়ে ছত্র ভঙ্গ করেন। এসময় হঠাৎ শহরের পৌরমার্কেট তিতুমীর সড়কে অবস্থিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে আগ্নেয়ান্ত্র ও লাঠি, ছোরা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় টি.ভি, এসি, ফ্রিজ, টেবিল, চেয়ার, আসবাবপত্র, ৩টি ল্যাপটপ, সেনেটারী মালামালসহ প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার মালামালের ক্ষতিসাধন হয়।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শৃঙ্খলাভঙ্গ: ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার

Verified by MonsterInsights

নীলফামারীতে আওয়ামী লীগের ৪৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা

আপলোডের সময় : 10:40:40 pm, Saturday, 7 September 2024

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এর অভিযোগে নীলফামারী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামালা আহমেদ, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন মুন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান সহ ৪৪ জন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নীলফামারী সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

এতে আরো ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। শুক্রবার রাতে নীলফামারী সদর থানায় ঠিকাদার মোঃ রবিউল আলম সরকার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলা নং- ০৪/২৪, তারিখঃ ০৫/০৯/২০২৪ইং।

উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন, আতিয়ার রহমান, মোঃ মাহাবুল, হোসেন খান মানিক, রাসেল আমিন স্বপন, আপেল, মোঃ সানু, মোঃ মোকছেদ, শান্তনা চক্রবর্তী, জ্যোর্তিময় রায় খোকন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ০৪ আগষ্ট দুপুর ২টার দিকে শহরের ত্রাস সৃষ্টির জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠি, ছোরা ও দেশীয় অস্ত্রসহ শহরের চৌরঙ্গী মোড় হতে ২০০/২৫০ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে আন্দোলনরত বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চড়াও হয়ে ছত্র ভঙ্গ করেন। এসময় হঠাৎ শহরের পৌরমার্কেট তিতুমীর সড়কে অবস্থিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে আগ্নেয়ান্ত্র ও লাঠি, ছোরা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় টি.ভি, এসি, ফ্রিজ, টেবিল, চেয়ার, আসবাবপত্র, ৩টি ল্যাপটপ, সেনেটারী মালামালসহ প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার মালামালের ক্ষতিসাধন হয়।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মকবুল হোসেন মামলা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।