
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত নতুন করে পানি না বাড়লেও দুর্ভোগ বেড়েছে পানিবন্দী অসহায় মানুষের। সেইসাথে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। পাবনা ওয়াটার হাইড্রোলজি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি সর্বশেষ ২ সেন্টিমিটার বেড়ে ১২ দশমিক ৯২ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পানির উচ্চতা অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিপদসীমা ১৩ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার হওয়ায় বর্তমানে পানি বিপদসীমার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩৫টি গ্রমের ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। পুরো প্লাবিত হয়েছে চিলমারী ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম। তলিয়ে গেছে চলাচলের রাস্তা ও ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানির সঙ্গে বেড়েছে পোকামাকড় ও সাপের উপদ্রব। মানব খাদ্যের সংকটের পাশাপাশি গবাদিপশুর খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে চারণভূমি ও ফসলের মাঠ।
পদ্মার তীর ঘেঁষা ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের চরের আবাদি জমিও প্লাবিত হয়েছে। এখানকার নদীপাড়ের মানুষও রয়েছেন বন্যা ও নদী ভাঙন আতঙ্কে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি প্রবেশ করায় ১৭টি প্রাথমিক, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১টি মাদ্রাসার পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। সবমিলিয়ে বন্যা দূর্গত এলাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এদিকে, গতকাল রবিবার সকালে মোঃ হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, আহবায়ক সদস্য দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিবন্দীদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে, সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে দৌলতপুরে বন্যার্তদের মাঝে আমরা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছি আমরা সবসময় তাদের পাশে আছি।
নৌকায় করে বন্যাকবলিত ও পানিবন্দীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে,মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। সুপেয় পানির সংকট, খাবার সংকট মানুষের মাঝে ২৫০ প্যাকেট ত্রাণসামগ্রী ও শুকনো খাবার বিতর করা হয়।