রাত হলেই থমকে যায় নিরাপত্তা, বাড়ছে অপরাধীদের দুঃসাহস

শিল্প ও বাণিজ্য নগরী বগুড়ায় রাতের নিরাপত্তা এখন চরম প্রশ্নের মুখে। শহরের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি কেন্দ্রীয় থানার অধীনে আটটি সাব-পুলিশ স্টেশন থাকা সত্ত্বেও, রাতের বেলায় টহল পুলিশের ডিউটি কার্যত ‘ঝিমিয়ে পড়ায়’ শহরজুড়ে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

​একটি সুসংগঠিত পুলিশিং ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ এমন নিরাপত্তাহীনতার শিকার হচ্ছে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে জনমনে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে রাতের টহল পুলিশের ভূমিকা প্রায়শই নিষ্ক্রিয় থাকে।

​আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ‘বীর দর্পে’। প্রকাশ্যে মুখ বেঁধে, দিনের আলোর মতোই তারা রাস্তায় নেমে ছিনতাই করে চলেছে। অপরাধীদের এই দুঃসাহস যেন পুলিশ প্রশাসনের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে নিরাপত্তার ফাঁকগুলো।

​ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়ায় প্রকাশ্যে ছিনতাই ​নিরাপত্তাহীনতার সর্বশেষ ও প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার ঘটনাটি। যেখানে দুর্বৃত্তরা মুখ ঢেকে, কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে বীরত্বের সঙ্গে ছিনতাই সংঘটিত করেছে। দিনের পর দিন এমন ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
​

​এই পরিস্থিতিতে শহরবাসীর স্পষ্ট দাবি— পুলিশ প্রশাসন যেন অবিলম্বে রাতের টহল ব্যবস্থা ঢেলে সাজায়, ঝিমিয়ে পড়া ডিউটি ব্যবস্থাকে সচল করে এবং এই দুঃসাহসী ছিনতাইকারী চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শহরের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

Verified by MonsterInsights

রাত হলেই থমকে যায় নিরাপত্তা, বাড়ছে অপরাধীদের দুঃসাহস

আপলোডের সময় : 09:25:18 am, Saturday, 22 November 2025

শিল্প ও বাণিজ্য নগরী বগুড়ায় রাতের নিরাপত্তা এখন চরম প্রশ্নের মুখে। শহরের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি কেন্দ্রীয় থানার অধীনে আটটি সাব-পুলিশ স্টেশন থাকা সত্ত্বেও, রাতের বেলায় টহল পুলিশের ডিউটি কার্যত ‘ঝিমিয়ে পড়ায়’ শহরজুড়ে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

​একটি সুসংগঠিত পুলিশিং ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ এমন নিরাপত্তাহীনতার শিকার হচ্ছে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে জনমনে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে রাতের টহল পুলিশের ভূমিকা প্রায়শই নিষ্ক্রিয় থাকে।

​আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ‘বীর দর্পে’। প্রকাশ্যে মুখ বেঁধে, দিনের আলোর মতোই তারা রাস্তায় নেমে ছিনতাই করে চলেছে। অপরাধীদের এই দুঃসাহস যেন পুলিশ প্রশাসনের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে নিরাপত্তার ফাঁকগুলো।

​ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়ায় প্রকাশ্যে ছিনতাই ​নিরাপত্তাহীনতার সর্বশেষ ও প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার ঘটনাটি। যেখানে দুর্বৃত্তরা মুখ ঢেকে, কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে বীরত্বের সঙ্গে ছিনতাই সংঘটিত করেছে। দিনের পর দিন এমন ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
​

​এই পরিস্থিতিতে শহরবাসীর স্পষ্ট দাবি— পুলিশ প্রশাসন যেন অবিলম্বে রাতের টহল ব্যবস্থা ঢেলে সাজায়, ঝিমিয়ে পড়া ডিউটি ব্যবস্থাকে সচল করে এবং এই দুঃসাহসী ছিনতাইকারী চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শহরের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।