1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
যশোরে ভাসুর এর হুকুমে স্বামী শাশুড়ী দ্বারা ৮ মাসের শিশু সহ গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ - Youth Tv news
২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| রাত ১০:৪৮|
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

যশোরে ভাসুর এর হুকুমে স্বামী শাশুড়ী দ্বারা ৮ মাসের শিশু সহ গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৭১ বার

 

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে +৮ মাসের শিশু সন্তানসহ বিথিকা সুলতানা বিথি (২৬) নামে এক গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ঘরে আটকে রেখে বেধড়ক মারধরের ও হত্যারঅভিযোগ উঠেছে মনিরামপুর পলি ট্যাকনিক্যাল কলেজের প্রফেসর.বড় ভাসুর সোহরব হোসেন স্বামী ও শ্বাশুড়ীর বিরুদ্ধে।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর অনুঃ ১টা ও ৫ টার দিকে উপজেলার কাজিয়াড়া গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিষয় কাউকে না জানাতে পারে এজন্য ভিকটিমের মোবাইল ফোন জোরকরে কেরে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩ বছর পূর্বে বাহিঘরিয়া গ্রামের বিথিকা সুলতানা বিথির সাথে মেহেদী হাসানের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই স্বামী শ্বাশুড়ি দ্বারা প্রায় যৌতুকের দাবিতে বিথির ওপর চাপ প্রয়োগ করে আসে, বিথির বাবা গরিব দিনমজুর হিসেবে তার সাধ্য অনুযায়ী মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে নগদ অর্থ সহ যখন যা প্রয়োজন মিটিয়ে আসছিলো। ভিকটিমের একটি আট মাসের শিশু সন্তান রয়েছে।

ভুক্তভোগী বিথিকা সুলতানা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর মেহেদী হাসান তার কাছ প্রতি নিয়ত যৌতুকের টাকার জন্য অশান্তি করতো, চাওয়া মাত্র তাদের টাকা এনে দিতে না পারলে মারধর করতো। আমার স্বামী প্রতিনিয়ত মাদক সেবন করে ঘরে আসতো নিষেধ করায় কারণে অকারণে মারধর করতো, এমনি করে ৩ টি বছর আমি তার নির্যাতন সহ্য করে বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে দিয়েছও। কিন্তু বিয়ের পর থেকে আমার বড় ভাসুর প্রফেসর সোহরব হোসেন বাড়িতে এসে আমাকে হুমকি দিতো, বলতো আমাদের বাড়িতে সংসার করতে হলে যা বলবো তাই শুনবি নইলে পরিণতি ভাল হবে না। এসবের বিরুদ্ধে একাধিক বার স্থানীয় গণ্যমান্য জনের নিকট জানিয়ে কোন সমাধান হয়নি বরং রাজনৈতিক গুন্ডা, মাদক কারবারি সন্ত্রাসী দ্বারা আমার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসে।অমানুষিক নির্যাতন করছে। আমার দুধের শিশুকে কেড়ে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করার জন্য চেষ্টা করেছে। বিথীকা সুলতানা কিছুদিন আগে জানতে পারে তার ভাসুর মনিরামপুর পলিটেকনিক্যাল কলেজের প্রফেসর সোহরব হোসেন তার স্বামী মেহেদী হাসানকে দিয়ে মাদকের ব্যবসা করায়। বিথীকা সুলতানা বিষয়টি পুলিশকে জানানোর কথা বললে মনিরামপুর পলিটেনিক্যাল কলেজের প্রফেসর ভাসুর সোহরব হোসেন তার ছোট ভাই মেহেদী হাসান ও তার মা লালভানু ও তার চাচী শহরভানুর সাথে ষড়যন্ত্র করে বিথীকা সুলতানা ও তার শিশু ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা করে। প্রফেসর ভাসুর সোহরব হোসেনের পরিকল্পনায় স্বামী মেহেদী হাসান তার মা ও চাচীকে নিয়ে বিথীকা সুলতানা ও শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্য ঘরের ভেতর আটকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে গলা টিপে ধরে এবং শিশু সন্তাকে ফ্লোরে ছুড়ে ফেলে দেয়।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। খবর পয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন আসে তাদের ওপর ও চড়াও হয়ে মারপিট করতে তেড়ে আসে প্রফেসর ভাসুর সোহরব হোসেনের পরিকল্পানায় স্বামী মেহেদী হাসান। তারপর এলাকার লোকজন তেকে থামিয়ে আমাকে ও শিশু বাচ্চাকে উদ্ধার করে। মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয় বিথীকা সুলতানার পিতা।

বিথীকা সুলতানা আরও জানায় যে তার স্বামী মেহেদী হাসান একই গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী রিয়াজুলের বউ মুক্তার সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত আছে ২ বছর ধরে। রিয়াজুল ইসলাম হলো কাজিয়াড়া গ্রামের শিহাব দোকানীর ছেলে। বিথীকা সুলতান বাধা দেওয়া রিয়াজুলের বউ মুক্তা তাকে বাড়িতে এসে এবং ফোনে গালিগালাস করেন। এবং স্বামী মেহেদী হাসান পরকীয়ায় আসক্ত মুক্তার জন্য তাকে প্রতিদিনই মারধর করেন। মেহেদী হাসান প্রায়ই প্রবাসীর স্ত্রী মুক্তার সাথে রাতযাপন করতেন।

এবিষয়ে মনিরামপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ
এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, ঘটনাটি অত্যান্ত দুঃখজনক, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিথিকা সুলতানা বলে আমি গরিবের মেয়ে আমি এবং আমার শিশু সন্তান যেন সঠিক বিচার পাই। মনিরামপুর থানা পুলিশ এমন কঠিন বিচার যেন করেন ভবিষ্যৎতে আর কেউ যেন এমন জঘন্য কাজ করার আগে ১০ বার চিন্তা করে। মনিরামপুর থানা পুলিশ আইনের দৃষ্টান্ত তৈরি করুন কঠিন বিচার করে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com