মা 

লেখক সাংবাদিকঃ আশিক হাসান সীমান্ত

একদিন যে-ই “শহর’টার”_

মায়ায় পরেছিলাম,

ধীরে ধীরে সেই “শহর’টায়”_

ধূলো জমিতেছে রোজ!

তবুও কখনো তা আমার_

বোধগম্য ছিলোই না!

“বাস্তবতার” মঞ্চে_

নিছক কিছু অযুহাতের দোহাই দিয়ে,

দূরপাল্লায় উড়ে বেড়িয়েছি_

আমি এক খেলনা “ঘুড়ি” ন্যায়!

ভুলেই গিয়েছিলাম আমি_

“মানুষ” তো আর ফানুস নয়,

“অদ্ভুত এক ছাঁয়া”

পুড়ে “ছাঁই” হাওয়ায় মিশে যায়_

তবুও কাটে না মায়া!

 

ঘোর দেখে যার মন ভরে যায়,

স্মৃতির পাতায় জমা হয়_

এক একটি নতুন সংস্কার!

আজন্মকাল ঠাই দিও “মা”_

চরণে করি আমি মস্তক নত।

তব মম শীরে কেন আমি?

হেলাতে খেলাতে বহুল দিন করেছি পার!

 

ঐ দেখো নদীর ধারে_

সে আমায় খুঁজিতেছিল বারংবার,

জ্বর আসিবার ভয় হেতু_

করতো কতোই না চিৎকার,

তবুও আমি নিছক ভেবে_

দিয়েছি কতো ধিক্কার!

 

দেরি করে মোর ঘরে ফেরা_

রাত জেগে তার বসে থাকা,

এ যেন তার নিত্যদিনের কাজ!

নালিশ পেয়ে শাসিয়ে তুলপার_

মাঝে মাঝে বেত্রাঘাত,

খানিক পরই মুখে তুলে দিতো ভাত!

নিষ্পাপ ছিলো সব_

ছিলো নিষ্পাপ মায়া!

তবে অহেতুক কেন মনে হতো?

তার নিষ্পাপ সেই ছাঁয়া!

 

জীবন আমায় চোখে রেখে চোখ_

বুঝতে শিখিয়েছে সত্য মিথ্যার ফারাক,

তবে কেন মাঝে মাঝে_

হীন হয়ে যায় সব সত্তা আর জ্ঞান?

ভাবি কতো নিছক কথা_

হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় খুব,

ঠিক তখনই তুমি এসে হাত বুলিয়ে_

মিটিয়ে দেও সকল অপ্রাপ্তিময় অসুখ!

কখনো তো চাওনি তুমি_

এর প্রতিদান!!

তাইতো আমি পন করেছি_

যেন রাখতে পারি তোমার মান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হামের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ, ২৭ শতাংশ শিশুর অ্যান্টিবডি নেই

Verified by MonsterInsights

মা 

আপলোডের সময় : 01:53:49 pm, Tuesday, 20 February 2024

লেখক সাংবাদিকঃ আশিক হাসান সীমান্ত

একদিন যে-ই “শহর’টার”_

মায়ায় পরেছিলাম,

ধীরে ধীরে সেই “শহর’টায়”_

ধূলো জমিতেছে রোজ!

তবুও কখনো তা আমার_

বোধগম্য ছিলোই না!

“বাস্তবতার” মঞ্চে_

নিছক কিছু অযুহাতের দোহাই দিয়ে,

দূরপাল্লায় উড়ে বেড়িয়েছি_

আমি এক খেলনা “ঘুড়ি” ন্যায়!

ভুলেই গিয়েছিলাম আমি_

“মানুষ” তো আর ফানুস নয়,

“অদ্ভুত এক ছাঁয়া”

পুড়ে “ছাঁই” হাওয়ায় মিশে যায়_

তবুও কাটে না মায়া!

 

ঘোর দেখে যার মন ভরে যায়,

স্মৃতির পাতায় জমা হয়_

এক একটি নতুন সংস্কার!

আজন্মকাল ঠাই দিও “মা”_

চরণে করি আমি মস্তক নত।

তব মম শীরে কেন আমি?

হেলাতে খেলাতে বহুল দিন করেছি পার!

 

ঐ দেখো নদীর ধারে_

সে আমায় খুঁজিতেছিল বারংবার,

জ্বর আসিবার ভয় হেতু_

করতো কতোই না চিৎকার,

তবুও আমি নিছক ভেবে_

দিয়েছি কতো ধিক্কার!

 

দেরি করে মোর ঘরে ফেরা_

রাত জেগে তার বসে থাকা,

এ যেন তার নিত্যদিনের কাজ!

নালিশ পেয়ে শাসিয়ে তুলপার_

মাঝে মাঝে বেত্রাঘাত,

খানিক পরই মুখে তুলে দিতো ভাত!

নিষ্পাপ ছিলো সব_

ছিলো নিষ্পাপ মায়া!

তবে অহেতুক কেন মনে হতো?

তার নিষ্পাপ সেই ছাঁয়া!

 

জীবন আমায় চোখে রেখে চোখ_

বুঝতে শিখিয়েছে সত্য মিথ্যার ফারাক,

তবে কেন মাঝে মাঝে_

হীন হয়ে যায় সব সত্তা আর জ্ঞান?

ভাবি কতো নিছক কথা_

হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় খুব,

ঠিক তখনই তুমি এসে হাত বুলিয়ে_

মিটিয়ে দেও সকল অপ্রাপ্তিময় অসুখ!

কখনো তো চাওনি তুমি_

এর প্রতিদান!!

তাইতো আমি পন করেছি_

যেন রাখতে পারি তোমার মান।