
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম তুহিনসহ চারজনের গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অপ্রতিমকে হত্যার পর অপরাধীরা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন শনিবার সকাল আটটার দিকে তুহিন, আনাস এবং ফাহিম নামের কয়েকজন অপ্রতিমের বাসায় যায়। এ সময় তারা অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগমের সাথে দেখা করে তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভান করে। মায়ের সাথে তাদের এই অস্বাভাবিক আচরণের পেছনে মূলত অপরাধ আড়ালের উদ্দেশ্য ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লা সিটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), এবং কোতোয়ালি থানার হাতিগাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সিয়াম (১৯)। এই চারজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই নিহত অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটি পুলিশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
নিহত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান। পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, অপ্রতিম নিখোঁজের ঘটনায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে পুলিশ তদন্তে নামে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের পর অপরাধীরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে। পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারের তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সে সময় খুনিরা অপ্রতিমের মাকে আর কী বলেছিল- তা বিস্তারিত জানা যায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলে ডেকে নিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে পিটিয়ে হত্যা করা হয় অপ্রতিমকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর ঘাতকেরা অত্যন্ত নির্ভার থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখান থেকে ফিরে তুহিন নিজ বাসায় স্বাভাবিক সময় কাটাতে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিকালেই তুহিনকে আটক করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রতিনিধির নাম 

























